খবর লাইভ : বিহারের পর বাংলা জুড়ে চলছে এসআইআর-এর প্রস্তুতি। ইতিমধ্যে রাজ্যে এসেছেন নির্বাচন কমিশনের শীর্ষ আধিকারিকরা। খতিয়ে দেখা হচ্ছে এসআইআর-এর যাবতীয় প্রস্তুতি। এর মাঝেই এসআইআর নিয়ে বোমা ফাটালেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “এসআইআর হওয়া দরকার। এসআইআর-এর কোন ভারতীয় তা সে হিন্দু হোক, মুসলিম হোক, অন্য ধর্মালম্বী হোক তার নাম বাদ যাবে না। নাম বাদ যাবে চার রকমের। মৃত ভোটারের নাম থাকবে না। ডবল এন্ট্রি, ট্রিপল এন্ট্রি থাকবে না। ভুয়ো ভোটার থাকবে না। রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশি মুসলিম অনুপ্রবেশকারীর নাম থাকবে না। এই ধরণের ব্যাক্তিদের নাম ভোটার লিস্টে থাকাটা গণতন্ত্রের পক্ষে সমীচীন নয়”।
ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে স্পষ্ট অবস্থান জানালেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য, ভোটার তালিকা থেকে শুধুমাত্র চার ধরনের নাম বাদ যাওয়ার কথা — মৃত ভোটার, ডাবল বা ট্রিপল এন্ট্রি, ভুয়ো ভোটার এবং অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের নাম। শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, এই প্রক্রিয়া চলাকালীন কোনও ভারতীয় নাগরিকের নাম, সে যে ধর্ম বা সম্প্রদায়েরই হোক না কেন, বাদ যাবে না। তাঁর মতে, এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হল ভোটার তালিকাকে সম্পূর্ণ ত্রুটিমুক্ত করা এবং গণতন্ত্রকে আরও স্বচ্ছ করে তোলা।
শুভেন্দু জানান, সেখানকার ভোটার তালিকা সংশোধনের সময় ৬৫ লক্ষ ভোটারের নাম বাতিল হয়েছিল। পশ্চিমবঙ্গেও যদি এই প্রক্রিয়া নিরপেক্ষ ও সঠিকভাবে সম্পন্ন হয়, তবে এক কোটিরও বেশি মৃত, ভুয়ো ও অবৈধ অনুপ্রবেশকারীর নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়বে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।
রাজ্যের বিরোধী দলনেতা আরও বলেন, “মৃত ভোটারের নাম বা অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের নাম ভোটার তালিকায় থাকা গণতন্ত্রের পক্ষে সমীচীন নয়। একটি নির্বাচন সুষ্ঠু ও ত্রুটিমুক্ত করার প্রথম ধাপই হল ভোটার তালিকা সংশোধন করা এবং তাকে সম্পূর্ণ নির্ভুল রাখা।”
পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকা নিয়ে ‘বিস্ফোরক’ দাবি করলেন বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর অভিযোগ, রাজ্যের ভোটার তালিকায় প্রায় এক কোটি ভুয়ো নাম রয়েছে, যার মধ্যে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশকারী, বাংলাদেশি মুসলিম ভোটার, মৃত ভোটার, ডুপ্লিকেট ও ভুয়ো ভোটারদের নাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকায় প্রায় এক কোটি রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশকারী, বাংলাদেশি মুসলিম ভোটার, মৃত ভোটার, ডুপ্লিকেট এন্ট্রি এবং ভুয়ো ভোটারের নাম রয়েছে। এই নামগুলি বাদ দেওয়া জরুরি, নইলে ভোটার তালিকার বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নের মুখে পড়বে।” পাশাপশি তিনি নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানান, রাজ্যের ভোটার তালিকা থেকে এসব নাম দ্রুত বাদ দিয়ে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ ও নির্ভুল করার জন্য কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।




