National Special News Special Reports

নাগরাকাটায় বিজেপি  সাংসদ-বিধায়কের ওপর হামলা: মোদির তীব্র নিন্দা, তৃণমূল ও রাজ্য সরকারকে আক্রমণ

0
(0)

খবর লাইভ : পশ্চিমবঙ্গের নাগরাকাটায় বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মুৎএবং বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ‑এর ওপর হামলা হওয়ার ঘটনায়, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তৃণমূল কংগ্রেস ও রাজ্য সরকারের ভূমিকার সরাসরি আক্রমণ করেছেন। তিনি বলেন, এই হামলা তৃণমূলের “অসংবেদনশীলতা” এবং রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলার দুঃচিত্রকে প্রমাণ করে।

সোমবার দুপুর ১টার দিকে জলপাইগুড়ির নাগরাকাটায় দুর্যোগ পরিদর্শনে গিয়ে বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু ও বিধায়ক শঙ্কর ঘোষকে লক্ষ্য করে হামলা করা হয়।
খগেন মুর্মু রক্তাক্ত অবস্থায় ছিলেন, শঙ্কর ঘোষও আহত হন।
ঘটনার কয়েক ঘণ্টা পার হলেও, এখনও পর্যন্ত অভিযুক্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।

রাজ্য পুলিশ ও প্রশাসন এখন পর্যন্ত ঘটনার দায়ীর উদ্দেশ্যে কোন কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ।

মোদির প্রতিক্রিয়া

প্রধানমন্ত্রী মোদি সামাজিক মাধ্যমে বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষায় পোস্টে ঘটনাটিকে “নিন্দনীয়” হিসাবে উল্লেখ করেছেন। তিনি লিখেছেন:
“যে ভাবে আমাদের দলের সদস্যরা — যাঁদের মধ্যে একজন সাংসদ ও বিধায়কও রয়েছেন — বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের সেবা করতে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছে, তা অত্যন্ত নিন্দনীয়। এটি তৃণমূল কংগ্রেসের অসংবেদনশীলতা এবং রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলার করুণ রূপের স্পষ্ট প্রতিফলন।”

সাথে তিনি রাজ্য সরকার ও তৃণমূলকে সতর্ক করে দেন যে — এই ধরনের হিংসা রাজনীতির অংশ হতে পারে না, বরং তাদের মনোনিবেশ থাকা উচিত দুর্যোগ মোকাবিলা ও জনসেবায়। এছাড়া, বিজেপি কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, তারা যেন ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ায় এবং উদ্ধার কাজ ও সহায়তায় যুক্ত হয়।

রাজ্য ও স্থানীয় প্রতিক্রিয়া

ঘটনায় উল্লেখ না করলেও, মুখ্যমন্ত্রী  মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এই কঠিন সময়েও “একতা ও ধৈর্য” বজায় রাখতে হবে।

অভিযোগ রয়েছে, হামলা পরিকল্পিতভাবে করা হয়েছে, কারণ বিকেল ও রাত গড়িয়ে গেলেও অভিযুক্তদের সন্ধান মেলেনি।

স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব এই ঘটনা নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে এবং দাবি করছে — সুষ্ঠু তদন্ত না হলে রাজ্য আইন ও নিরাপত্তা চরম ভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হবে।

প্রসঙ্গত, মালদহ উত্তরের বিজেপি সাংসদ খগেন এবং শিলিগুড়ির বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ দুর্যোগ-বিপর্যস্ত জলপাইগুড়ির নাগরাকাটার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে সোমবার বিক্ষোভের মুখে পড়েছিলেন। তাতে রক্তাক্ত হয়েছেন খগেন। শঙ্করও প্রহৃত হন। সোমবার দুপুর ১টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছিল। তার পর বিকেল পেরিয়ে রাত গড়ালেও অধরা অভিযুক্তেরা। পুলিশ সূত্রে খবর, এখনও কাউকেই আটক বা গ্রেফতার করা হয়নি। সরাসরি এই ঘটনার উল্লেখ না-করলেও, সকলকে সংযত থাকার বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘‘এই কঠিন সময়েও আমাদের মনে রাখতে হবে একতা ও ধৈর্যই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।’’

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *