খবর লাইভ : গোটা দেশের নজর যখন অযোধ্যায় রাম মন্দির উদ্বোধনে, তখন কলকাতার রাজপথে নামলেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কালীঘাট মন্দিরে পুজো দিয়ে পথে নামেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গুরুদ্বার, গির্জা, মসজিদ ঘুরে পার্কসার্কাস মোড়ে শেষ হয় সেই মিছিল। সেখানে সভা থেকে সর্বধর্ম সমন্বয়ের বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী।
কেন এই সংহতি মিছিল করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নিজেই সভা থেকে সেই জবাব দিয়েছেন তিনি। মমতার দাবি,আজ এই মিছিল করার আমার একটাই উদ্দেশ্য। এই লড়াই শুরু হয়েছে। এই লড়াই আমাদের চলতে থাকবে। আজ সকাল থেকে যা চলছে সংবাদমাধ্যমে, তা দেখে মনে হচ্ছে যেন স্বাধীনতার লড়াই চলছে। ভাল কাজ করলে তা আপনারা দেখান না৷ আর বিজেপি কিছু করলেই, বিশ্বগুরুকে দেখায় হিরো করে। আপনাদের বিক্রি করে খাচ্ছে। দেশকে বাঁচাতে চাইলে। এই সব চ্যানেল দেখবেন না। নিউজ চ্যানেল দেখবেন না। দেখলে আপনাদের টেনশন হবে৷ ওরা ইচ্ছা করে এই সব করে।
আরও পড়ুনঃ সন্দেশখালিকাণ্ডে সিবিআই তদন্তের দাবি! সিঙ্গল বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ডিভিশন বেঞ্চে ইডি
সংহতি মিছিলের সভা থেকে সর্বধর্ম সমন্বয়ের বার্তা দিতে গিয়ে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর কথা টেনে আনেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর আসল লোক ছিলেন শাহনওয়াজ খান। যিনি ভেবেছিলেন, একটা হিন্দুর পাশে মুসলমান দরকার৷ আর আমি ২০ বছর ধরে নেতাজির জন্মদিনকে জাতীয় ছুটির দিন করতে বলছি। সেটাকে করা হয় না। আর আজ নাকি ছুটির দিন। ওদের স্বাধীনতার দিন৷ কীসের স্বাধীনতা? রাজনৈতিক স্বাধীনতার দিন।মমতার প্রশ্ন, ‘আমি রামের বিরোধী নই। কিন্তু কই সীতার কথা তো বলা হয় না। কেন? তাহলে কি তোমরা মহিলা বিরোধী? লড়াই শুরু হয়ে গিয়েছে। খারাপ সময় আসবে, শত্রু আসবে। কিন্তু শত্রুর সাথে লড়াই করে জয় আসবেই। আমি আজ বলব, চিত্ত যেথা ভয়শূন্য, উচ্চ যেথা শির।”.




