National Special News Special Reports

রাজস্থানের হাসপাতালে আগুনে ছয় রোগীর মৃত্যু, বাড়ছে উদ্বেগ

0
(0)

খবর লাইভ : রবিবার গভীর রাতে জয়পুরের সাওয়াই মান সিং (এসএমএস) হাসপাতালে ট্রমা কেয়ার সেন্টারে আগুন লেগে অন্তত ছ’জন রোগীর মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও অনেকে। রাজ্য প্রশাসন ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার ও তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছেন।

হাসপাতালের ট্রমা কেয়ার বিভাগের ইন‑চার্জ চিকিৎসক অনুরাগ ধাকড় জানিয়েছেন, আগুন শুরু হয় হাসপাতালের একটি গুদাম থেকে। পরবর্তীতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে নার্সিং ইউনিট ও নিউরো আইসিইউ-তে। দুর্ঘটনার সময় নিউরো আইসিইউ-তে মোট ১১ জন রোগী চিকিৎসাধীন ছিলেন।

ধাকড় আরও বলেন, “অগ্নিকাণ্ডে ছ’জন রোগীর মৃত্যু হয়েছে — চার জন পুরুষ ও দুই জন মহিলা। বাকিদের সযত্নে আইসিইউ থেকে বের করে অন্যান্য ওয়ার্ডে স্থানান্তর করা হয়েছে। আহতদের দ্রুত চিকিৎসা করা হচ্ছে।”

মৃতদের মধ্যে রয়েছেন সিকরের পিন্টু, জয়পুরের দিলীপ ও বাহাদুর (জয়পুর জেলার সানগনার এলাকাবাসী), ভরতপুরের শ্রীনাথ, এবং রুক্মিণী ও খুরমা।

রাজ্য সরকারের প্রতিক্রিয়া আসতেই, মুখ্যমন্ত্রী ভজনলাল শর্মা ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন এবং মন্ত্রীবৃন্দসহ প্রশাসনিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করেছেন। স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জওহর সিংহ বেধাম জানিয়েছেন, দ্রুত তদন্ত শুরু করা হবে এবং দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই অগ্নিকাণ্ডে হাসপাতালের নথিপত্র, রক্তের নমুনা ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জামগুলি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হাসপাতালের এক কর্মী বিকাশ জানিয়েছেন, আগুন লাগার খবর পেয়ে তারা দ্রুত আইসিইউ‑তে ঢুকতে চেয়েছিলেন, তবে ধোঁয়া ঘন হওয়ায় ভিতরে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।

রোগীদের আত্মীয়রাও ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন। তারা অভিযোগ করেছেন, রোগীদের আগুনে ঘিরে থাকার পরও সঠিকভাবে উদ্ধার করা হয়নি এবং হাসপাতালের কর্মীরা দ্রুত নিরাপদ স্থানে চলে গিয়েছিলেন।

বর্তমানে জরুরি পদক্ষেপ হিসেবে, হাসপাতালে আগুননিরোধী ব্যবস্থা পুনর্মূল্যায়ন ও নিরাপত্তা প্রোটোকল শক্ত করা হবে। পাশাপাশি নিহতদের পরিবারকে যথাযথ ক্ষতিপূরণ দেওয়া এবং ঘটনার দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে শোনা যাচ্ছে।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *