Special News Special Reports State

জামাইষষ্ঠীর দিন শাহের সভায় দলের সব বিধায়কের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক করতে চান শুভেন্দু

0
(0)

খবর লাইভ : আগামী রবিবার জামাইষষ্ঠী। ওই দিন শ্বশুরবাড়িতে আপ্যায়িত হন বাংলার জামাইকুল। আবার সব পরিকল্পনামাফিক চললে আগামী রবিবারেই নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে সভা করার কথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের। ওই সভায় দলের সব বিধায়কের উপস্থিতি ‘বাধ্যতামূলক’ করতে চান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

কিন্তু বিজেপি বিধায়কেরা পড়েছেন মহা ফাঁপরে! শ্যাম রাখবেন না কুল? শাহ রাখবেন না শ্বশুর? কেন্দ্রীয় সরকারের ‘হোম মিনিস্টার’ রাখবেন না পরিবারের ‘হোম মিনিস্টার’? ‘গৃহমন্ত্রী’ রাখবেন না ‘গৃহলক্ষ্মী’?

সর্বোচ্চ নেতার সভায় উপস্থিত না হলে দলের রোষানলে পড়তে হবে। আর শ্বশুরবাড়ি না গেলে পড়তে হবে স্ত্রী এবং শ্বশুরবাড়ির অনুযোগের মুখে। সোমবার বিকালে কলকাতার নির্বাচন কমিশন দফতরে কর্মসূচিশেষে উপস্থিত বিধায়কদের শাহের সভায় উপস্থিত থাকার নির্দেশ দিচ্ছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আচমকা বিজেপির খেজুরির বিধায়ক তথা পেশায় স্কুলশিক্ষক শান্তনু প্রামাণিক বলে ওঠেন, ‘‘শুভেন্দুদা, ওই দিন তো জামাইষষ্ঠী! কী করব?’’

বিধায়কের এমন কৌতূহলী প্রশ্নে কয়েক মুহূর্ত নীরব থাকেন বিরোধী দলনেতা। তার পরে সটান নির্দেশ দেন, ‘‘একজন বিধায়কের কাজ আগে দলীয় সভায় যোগ দেওয়া। তাই ওই সভায় সকলকে যোগ দিতেই হবে।’’ কিন্তু পাশাপাশি সমস্যার সমাধানও করে দিয়েছেন অকৃতদার শুভেন্দু। বলেছেন, ‘‘জামাইষষ্ঠী তো সারা দিন ধরে চলবে। তাই শ্বশুরবাড়ি গিয়ে খাওয়াদাওয়া বা উপহার বিনিময় সন্ধ্যা অথবা রাতের দিকেও হতে পারে। সভায় যোগ দেওযার পরে বিকেল ৪টের পর সকলেই নিজ নিজ গন্তব্যে যেতে পারবে। তখন তোমরা শ্বশুরবাড়ি যেতেই পারো।’’

বিধায়কদের ওই নির্দেশ দেওয়ার পরেই নিজের পরবর্তী গন্তব্যের দিকে রওনা হয়ে যান শুভেন্দু। তবে বিধায়কদের আলোচনা থামেনি। শান্তনুর পাশে থাকা পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ভগবানপুরের বিজেপি বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ মাইতি সতীর্থ বিধায়ককে রসিকতা করে বলেন, ‘‘তোমায় শ্বশুরবাড়ি থেকে জামাইষষ্ঠীর নেমন্তন্ন করেছে তো? না কি নেমন্তন্ন না পেয়েই বিরোধী দলনেতার কাছে অনুমতি চাইছ?’’ রসিকতার জবাবে শান্তনু বলেন, ‘‘আমি নিজের জন্য অনুমতি চাইনি। আমাদের সাংসদ সৌমেন্দুবাবু কয়েক মাস আগেই বিয়ে করেছেন। তিনি যাতে নিজের প্রথম জামাইষষ্ঠীতে শ্বশুরবাড়িতে যেতে পারেন, সেই কারণেই শুভেন্দুবাবুর কাছে অনুমতি চেয়েছিলাম।।’’ শান্তনুর জবাব শুনে হেসে ফেলেন সেখানে উপস্থিত বাকি বিধায়কেরা।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *