খবর লাইভ : মুক্তিযুদ্ধের সময়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় অভিযুক্ত ছিলেন তিনি। শেখ হাসিনার শাসনকালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে সেই অপরাধে তাঁর মৃত্যুদণ্ডের আদেশও হয়েছিল। এ বার সেই অপরাধের মামলায় বেকসুর খালাস পেলেন জামাত নেতা এটিএম আজহারুল ইসলাম। মঙ্গলবার বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের অ্যাপলেট ডিভিশন, তাঁকে ওই মামলায় নির্দোষ ঘোষণা করেছে।
এটিএম আজহারুল ইসলাম জামাত ইসলামির নেতা। মুহাম্মদ ইউনূস সরকারে সবচেয়ে প্রভাবশালী এই জামায়াতে। এর আগে ইউনূসের আমলে বহু অভিযুক্ত জামায়াতে নেতা বেকসুর খালাস পেয়েছেন। মঙ্গলবার, ২৭ মে এটিএম-এর মামলার রায়ের আগে, রবিবার বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির সঙ্গে নিজের বাসভবনে বৈঠক করেছিলেন মুহাম্মদ ইউনূস।
আগের রায়ের বিরোধিতা করে বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টে আপিল করেছিল এটিএম আজ়হারুল ইসলাম। এ দিন বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন সাত সদস্যের বেঞ্চ এই আবেদন গ্রাহ্য করে এটিএম-কে বেকসুর খালাস করেছে। এর আগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল এটিএম-কে দোষী সাবস্ত্য এবং মৃত্যুদণ্ডের যে রায় দিয়েছিল, সেটিকে বাতিল বলে ঘোষণা করেছে এই বেঞ্চ। এর সঙ্গেই ওই বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছে, অন্য কোনও মামলায় এটিএম-কে গ্রেপ্তার না করা হয়ে থাকলে, দ্রুত তাঁকে মুক্তি দিতে হবে।
২০১২ সালের ২২ অগাস্ট এটিএম-কে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। ২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল এটিএম আজ়হারুল ইসলামকে মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছিল। তার পরে আপিল করেছিলেন তিনি। দীর্ঘ দিন ধরে সেই মামলা চলে। ২০২০ সালে রায় বেরনোর পরে ফের এটিএম রিভিউ পিটিশন করেছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সময়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের কোনও মামলায় রিভিউ পিটিশনের পরিপ্রেক্ষিতে আপিলে এই প্রথম কোনও ব্যক্তি খালাস পেলেন।




