খবর লাইভ : তুমুল উত্তেজনা, চরম সতর্কতা এলাকায়, পাঁইপাঁই করে এলাকা ছেড়ে পালাচ্ছে সব জঙ্গি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্পষ্ট এবং সরাসরি ভাষায় জানিয়েছেন যে যারা এই নৃশংস ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া হবে। ভারতের এই কড়া অবস্থানের কারণে সীমান্ত জুড়ে আতঙ্কের পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এই মুহূর্তে পাকিস্তান বালাকোট সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের মতো কিছুর আশঙ্কা করছে৷
এই কারণেই ভারতের প্রতিশোধের ভয়ে POK-র সমস্ত লঞ্চ প্যাড খালি করা হয়েছে। সূত্র বলছে, বাহাওয়ালপুরে অবস্থিত সন্ত্রাসবাদী সংগঠন জইশ-ই-মহাম্মদের সদর দফতরও খালি করে দেওয়া হয়েছে। জইশ সদর দফতরের বিভিন্ন কার্যালয়ে একদমই শুনশান অবস্থা।
এর প্রভাব কেবল পাক অধিকৃত কাশ্মীর নয়, খাইবার পাখতুনখোয়াতেও দেখা যাচ্ছে। পহেলগাঁওয়ের বৈসরান উপত্যকায় সন্ত্রাসবাদীরা ২৬ জন পর্যটককে নির্মমভাবে হত্যা করেছে।
ভারতীয় সেনাবাহিনী উপত্যকা অঞ্চলে তীব্র তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে। কিছু জায়গায় নিরাপত্তা বাহিনী এবং সন্ত্রাসবাদীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সূত্রের মারফত বড় চাঞ্চল্যকর খবর সামনে এসেছে। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর পাশাপাশি পাকিস্তানের সন্ত্রাসবাদীদের মধ্যে আতঙ্ক চরমে রয়েছে৷ লঞ্চ প্যাডে অবস্থিত সন্ত্রাসবাদী সংগঠন জইশের প্রধান প্রশিক্ষণ শিবির এবং সদর দফতরও খালি করা হয়েছে।
ভারতের পাল্টা আক্রমণ থেকে জঙ্গিদের রক্ষা করার জন্য জইশের বাহাওয়ালপুর সদর দফতরও খালি করা হয়েছিল। বলা হচ্ছে যে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জইশ সদর দফতরের অনেক বিল্ডিং খালি করা হয়েছে। জইশ কমান্ডারদের বিভিন্ন সেফ হাউসে পাঠানো হয়েছে।
এছাড়াও, খাইবার পাখতুনখোয়া এবং পাক অধিকৃত কাশ্মীর থেকে প্রশিক্ষণ শিবিরগুলিও খালি করা হয়েছে। পহেলগাঁও আক্রমণের মাস্টারমাইন্ডকে ভারত নিশ্চিহ্ন করা দিয়েছে৷




