খবর লাইভ : মাঝে কিছুদিনের বিশ্রাম, তারপর ফের জোর কদমে শুরু বেআইনি কারবার। আর এই বেআইনি কারবারের জেরে রীতিমতো তিতিবিরক্ত হুগলির খানাকুলের বিজেপি বিধায়ক। শুধু বিজেপি বিধায়কই নয়, বেআইনি কাজে অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষও।
খানাকুলের গড়ের ঘাট, রাজহাটি ভীমতলা, কোলে পাড়া, সেকেন্দারপুর সহ বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে বেআইনি সাট্টা ও লোটো কারবারে অতিষ্ট এলাকার লোকজন। বারবার প্রশাসনকে জানালেও কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না বলে অভিযোগ। থানা থেকে ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে বেআইনি কাজের রমরমা থাকলেও পুলিশের কাছে অবশ্য কোনও খবরই নেই। বাধ্য হয়ে স্থানীয় লোকজন প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে অভিযোগ পাঠিয়েছেন। স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক সুশান্ত ঘোষের কাছেও সেই অভিযোগ জমা পড়েছে। তিনিও রীতিমতো তিতিবিরক্ত ওই বেআইনি কাজের দাপটে। তবে পুলিশ অবশ্য যেন কিছুই জানে না। আরামবাগের এসডিপিও সুপ্রভাত চক্রবর্তীকে ফোন করা হলে তিনি বলেন, ‘ কোনও কাজই হচ্ছে না এখন। সব বন্ধ রয়েছে।’ খবর লাইভের প্রতিনিধি অবশ্য অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে খানাকুল থানার বিভিন্ন জায়গায় পরিদর্শন করে দেখেন। অভিযোগ যে সত্যি তা হাতেনাতে প্রমাণ পান। খানাকুলের একাধিক জায়গায় দিনের বেলাতেও রমরমিয়ে চলছে বেআইনিভাবে সাট্টা ও লোটোর কারবার। থানা থেকে ভুল তথ্য পুলিশের ঊর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে তাহলে কি পাঠানো হচ্ছে? সেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। সুপ্রভাত বাবুকে খবর লাইভের পক্ষ থেকে জানানো হয় অভিযোগ সত্য। তার প্রেক্ষিতে তিনি বলেন, ‘ভুল খবর পরিবেশন করা হলে তাহলে আইনি নোটিশ পাঠানো হবে।’ সুপ্রভাত বাবু আপনি আইনি নোটিশ পাঠান। খবর লাইভের কাছে সেই প্রমাণ আছে কিনা তা আদালতে অবশ্যই জমা দেবে।
এ বিষয়ে অবশ্য কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি খানাকুলের বিধায়ক সুশান্ত ঘোষের। প্রশ্ন উঠেছে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে। যেখানে পুলিশের বেআইনি কাজ বন্ধ করার কথা সেখানে কিভাবে ওই থানার বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে এই বেআইনি সর্বনাশা কারবার চলছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধী দলের নেতারাও। এ বিষয়ে বিজেপি নেতা সজল ঘোষ বলেন, ‘আমাদের কাছে একাধিক প্রমাণ রয়েছে, যেগুলো আমরা আইনি ভাবে ব্যবহার করব। সর্বনাশা এই খেলার ফাঁদে পড়ে বহু পরিবার শেষ হয়ে যাচ্ছে। তাদের বাঁচাতেই হবে আমাদের।’ এ বিষয়ে খানাকুল থানার ওসির অবশ্য কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।



