Special News Special Reports State

তৃণমূলের পাশাপাশি বিজেপিকেও নিশানা আন্দোলনরত জুনিয়র ডাক্তারদের

0
(0)

খবর লাইভ : এবার আরও একধাপ এগিয়ে আন্দোলনরত জুনিয়র ডাক্তারদের অভিযোগ, হাথরস, কাঠুয়া, উন্নাওতে যাঁরা ধর্ষকদের মালা পরিয়েছেন, তাঁরাই এ রাজ্যে ক্ষমতা দখলের জন্য আরজি কর আন্দোলনকে ব্যবহার করতে চাইছেন। বুধবার সাংবাদিক বৈঠক করে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলের পাশাপাশি বিজেপিকেও নিশানা করলেন তারা।

ওয়েস্ট বেঙ্গল জুনিয়র ডক্টরস’ ফ্রন্টের তরফে ওই বৈঠকে ছিলেন দেবাশিস হালদার, অনিকেত মাহাতোর মতো পরিচিত মুখেরা। দেবাশিসের বক্তব্য , রাজ্যের ক্ষমতা দখলের ক্ষুদ্র স্বার্থে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল গোড়া থেকেই আমাদের আন্দোলনকে ব্যবহার করতে চাইছে। জুনিয়র ডাক্তারদের নাম করে বিশেষ ওই রাজনৈতিক দল ভুয়ো খবর ছড়িয়েছে বলেও অভিযোগ করেন দেবাশিস, অনিকেতরা।
দেবাশিস বলেন, এই দলেরই কয়েক জন স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করেন এবং মহালয়ার দিন নির্যাতিতার জন্য জুনিয়র ডাক্তারেরা তর্পণ করবেন বলে ভুয়ো খবর ছড়ান। ওই কর্মসূচির সঙ্গে জুনিয়র ডাক্তারদের কোনও সম্পর্ক নেই। বিভাজনকামী যে কোনও রাজনীতিকে প্রথম থেকেই প্রত্যাখ্যান করেছে এই আন্দোলন। আগামীতেও তা-ই করবে।’

রাজ্য সরকারকে বার্তা দিয়ে আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, মুখ্যসচিব মনোজ পন্থের সঙ্গে যে বৈঠকের পর তাঁরা কর্মবিরতি আংশিক তুলে নিয়েছেন, সেই বৈঠকে তাঁরা কিছু লিখিত নির্দেশিকা আদায় করেছিলেন। কিন্তু অভিযোগ, দু’একটি বিচ্ছিন্ন উদাহরণ ছাড়া ওই নির্দেশিকা প্রতি হাসপাতাল এবং মেডিক্যাল কলেজে প্রয়োগ করা হয়নি। আমরা রাজ্য সরকারকে স্পষ্ট জানিয়ে দিতে চাই, সরকার যদি রোগী পরিষেবা এবং ডাক্তারদের সুরক্ষার বিষয়ে এই ধরনের গয়ংগচ্ছ মনোভাব নিয়ে চলে, আমরা আন্দোলনকে তীব্রতর করতে বাধ্য হব।
পঞ্চম দাবির বাস্তবায়নের জন্যেও সরকারের তরফে কোনও উদ্যোগ দেখা যায়নি বলে দাবি করেছেন তারা। এই বিষয়গুলি নিয়ে সরকারের সঙ্গে আবার আলোচনায় বসতে চান বলেও জানিয়েছেন জুনিয়র ডাক্তারেরা।

আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, কর্মবিরতি উঠে যাওয়ার পর অনেকে প্রতিহিংসামূলক কার্যকলাপের শিকার হচ্ছেন। তাদের মন্তব্য, আরজি কর-কাণ্ডের প্রতিবাদে বিভিন্ন সময়ে যাঁরা ‘রাতদখল’ বা অন্য কোনও প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছিলেন, তাঁদের অনেকের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করা হয়েছে বলে আমরা খবর পেয়েছি। সমস্ত মামলা প্রত্যাহার করতে হবে। এই প্রতিহিংসামূলক কার্যকলাপ বন্ধ করতে হবে। নয়তো আন্দোলন আরও তীব্র হবে।

প্রসঙ্গত, আরজি কর-কাণ্ডের প্রতিবাদে গত ৯ অগস্ট থেকে কর্মবিরতি পালন করছিলেন জুনিয়র ডাক্তারেরা। ৪২ দিন পর সেই কর্মবিরতি আংশিক তুলে নেওয়া হয়েছে। জরুরি পরিষেবায় তাঁরা যোগ দিয়েছেন। উঠেছে স্বাস্থ্য ভবনের সামনে থেকে ধর্নাও।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *