খবর লাইভ : বাংলাদেশের সাংসদ খুনের ঘটনায় নয়া তথ্য প্রকাশ্যে। রবিবার সকাল ১১ টায় কলকাতায় পৌঁছলেন বাংলাদেশের গোয়েন্দারা। সিআইডি সূত্রে খবর ফ্ল্যাটে ঢোকার পর অভিযুক্ত সাংসদকে ক্লোরোফর্ম প্রয়োগ করে সংজ্ঞাহীন করা হয়। এর আগে দুবার খুনের পরিকল্পনা ব্যর্থ হলেও তৃতীয়বারে সফল হয়েছেন মূল অভিযুক্ত আখতারুজ্জামান। তবে তদন্তকারী গোয়েন্দারা বলছেন আবাসনের যে রান্নাঘরে দেহাংশ কাটা হয়েছিল সেখানকার ফুটেজ এখনও পর্যন্ত মেলেনি। রহস্য বাড়ছে। ইতিমধ্যেই ফ্ল্যাট মালিক ও দালালদের সঙ্গে কথা বলে সিআইডি জানতে পেরেছে যে ফ্ল্যাটে অন্যদের আনাগোনা শুরু হতে দালালের প্রশ্নের মুখে পড়ে খুনের চক্রীদের অভিযুক্ত আখতারুজ্জামান তাঁর সংস্থার কর্মী বা বন্ধু বলে পরিচয় দিয়েছিলেন।
আরও পড়ুনঃ গড়বেতায় বিজেপি প্রার্থী প্রণত টুডুকে ঘিরে বিক্ষোভ, কাঠগড়ায় তৃণমূল
তদন্ত যত এগোচ্ছে ততই এই খুনের একের পর এক দিক খুলতে শুরু করেছে। ঘটনায় মূল ষড়যন্ত্রকারী আখতারুজ্জামান শাহিন কলকাতায় সমস্ত পরিকল্পনা আগে থেকেই করে রেখেছিলেন। খুন করার জন্য কী কী সরঞ্জাম লাগবে তার ব্যবস্থাও নিজেই করেছিলেন। কিন্তু আবাসনের রান্নাঘরের ফুটেজ কেন পাওয়া যাচ্ছে না তা নিয়ে ধোঁয়াশা। ইতিমধ্যেই তদন্ত করতে মহানগরীতে এসেছে ওপার বাংলার গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি দল। সূত্রের খবর, ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) মোহাম্মদ হারুন অল রশিদের নেতৃত্বে দলে আরও দুই সদস্য রয়েছেন। ওয়ারী বিভাগের ডিসি মো. আব্দুল আহাদ ও এডিসি শাহীদুর রহমান। প্রাথমিকভাবে সিআইডি অফিসারদের সঙ্গে কথা বলেছেন তাঁরা। দুই দেশের গোয়েন্দাদের তৎপরতায় দ্রুত মিসিং লিংক খুঁজে বের করা সম্ভব হবে বলে মনে করা হচ্ছে।




