খবর লাইভ : একদিন বা দুদিন নয়, টানা দেড় মাস ধরে মঙ্গল গ্রহে থাকবেন নাসার ৪ নভশ্চর! খবর প্রকাশ্যে আসতেই রীতিমতো শোরগোল পড়ে গেছে। চাঁদের মাটিতে মানুষ পৌঁছলেও মঙ্গলে এখনও কারও পা পড়েনি। স্বয়ংক্রিয় মহাকাশযান পাঠিয়ে লাল গ্রহে গবেষণা চালাচ্ছে বিভিন্ন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। এবার সকলকে টেক্কা দিয়ে মঙ্গলে মানুষ পাঠিয়ে ইতিহাস তৈরির পথে নাসা? সত্যিই কি তাই? মহাকাশ গবেষণার কাজে বড় পদক্ষেপ করতে চলেছে আমেরিকার গবেষণা সংস্থা। আগামী ১০ মে থেকে মঙ্গল গ্রহে থাকা শুরু করবেন জেসন লি, স্টেফানি নাভারো, পিয়ুমি উইজেসেকারা এবং শরিফ আল রোমাইথি। প্রস্তুতি তুঙ্গে।
চাঁদে মানুষ গেছে, একাধিক মহাকাশযান পাঠানো হয়েছে। সূর্যের দেশেও স্যাটেলাইট পাঠিয়ে গতিবিধি পর্যবেক্ষণের কাজ চলছে। তবে মঙ্গল নিয়ে মানুষের উতসাহ কম নয়। লাল গ্রহের দেশের জল থেকে মাটি সব নিয়েই গবেষণা চালাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। কিন্তু প্রায় ৪৫ দিন ধরে ভিনগ্রহে মানুষের থাকার মতো পরিস্থিতি রয়েছে কি? নাসা সূত্রে জানা যাচ্ছে, আসলে ভবিষ্যতের পরিকল্পনার কথা মাথায় রেখে এক কৃত্রিম পরিবেশে গবেষণা চালানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। হিউস্টনে নাসার জনসন স্পেস সেন্টারে মঙ্গলের আবহাওয়া, পরিবেশই কৃত্রিম ভাবে তৈরি করা হচ্ছে। সেই পরিবেশেই ৪৫ দিন কাটাবেন জেসনেরা। নাসা এই গবেষণার নাম দিয়েছে ‘হিউম্যান এক্সপ্লোরেশন রিসার্চ অ্যানালগ’। অর্থাৎ আদতে মঙ্গলে মানুষ পাঠানোর মতো কোনও ব্যবস্থা করে উঠতে পারেনি আমেরিকান মহাকাশ গবেষণা সংস্থা । একই ধরণের পরিবেশ তৈরি করে গোটা বিষয়টা বুঝে নিতে চাইছেন বিজ্ঞানীরা। যে চার নভশ্চর ‘মঙ্গল যাত্রা’ করবেন তাঁদের মধ্যে রয়েছেন কানেক্টিকাট বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক। স্টেফানি নাভারো নাসার স্যাটেলাইট প্রোগামের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তা ছাড়া, তিনি সেনাবাহিনীতেও কাজ করেছেন। পিয়ুমি উইজেসেকারা নাসার গবেষক এবং আবু ধাবির বাসিন্দা শরিফ আল রোমাইথি পেশায় একজন বিমানচালক।




