খবর লাইভ : সুপ্রিম কোর্টে স্কুল সার্ভিস মামলায় দীর্ঘ শুনানি হল। এক ধাক্কায় ২৫ হাজার ৭৫৩ জন শিক্ষক এবং অশিক্ষক কর্মচারীর চাকরি বাতিল করে গত সোমবার মাইলফলক রায় দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট।
উচ্চ আদালতের সেই রায়ের উপর এদিনই কোনও স্থগিতাদেশ দিল না। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট পর্যবেক্ষণে জানিয়েছে, ২৫ হাজার জনের চাকরি কেড়ে নেওয়া হল, এটা খুবই গুরুতর বিষয়। পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়াতেই যদি জালিয়াতি না হয়ে থাকে তাহলে এই ২৫ হাজারের মধ্যে যোগ্য অযোগ্য কি আলাদা করা সম্ভব? যারা দুর্নীতি করেছে বা তার ফায়দা নিয়েছে তাদের অবশ্যই চিহ্নিত করা উচিত। তিল করে দেওয়া হল?
প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় প্রশ্ন করে বলেন, একবার যখন দেখা গেল বেআইনি ভাবে নিয়োগ করা হয়েছে, তাহলে নতুন পদ তৈরি করা হল কেন?
আরও পড়ুনঃ রেভান্নার যৌন হেনস্থার ভিডিও: সাসপেন্ড দল থেকে, চাপের মুখে সিদ্ধান্তে জেডিএসের
শুনানির সময়ে আইনজীবী দুষ্মন্ত দাভে বলেন, গোটা নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল ২০১৬ সালে। ২০১৮ সাল থেকে নিয়োগ শুরু হয়। এই মামলা প্রথমে কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বেঞ্চে শুরু হয়। পরে যিনি ইস্তফা দিয়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। এই মামলার ভিত এটিই।
আইনজীবী মুকুল রোহতগি বলেন, একজন অভিযুক্তর জবানবন্দির উপর ভরসা করে কলকাতা উচ্চ আদালত সবার চাকরি বাতিল করে দিল। এটা কী করে সম্ভব? সিঙ্গল বেঞ্চের একজন বিচারপতি এটা করেছেন। ভুলে গেলে চলবে না যাদের চাকরি গেছে তাদের পরিবারের অন্তত চার জন করে তাঁদের উপর নির্ভরশীল। এ ব্যাপারে সবিস্তার শুনানি জরুরি।
সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ, ওএমআর শিট নষ্ট করা হয়েছে। ওএমআর শিট না পেলে কীভাবে যোগ্য-অযোগ্য প্রার্থীর বিচার হবে? সুপার নিউমেরিক পোস্ট তৈরি নিয়ে মন্ত্রিসভার সদস্যের বিরুদ্ধে তদন্তে স্থগিতাদেশ দিলেও হাইকোর্টের বাকি রায়ে এখনই স্থগিতাদেশ দেয়নি সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালত জানাল, মামলার পরবর্তী শুনানি হবে সোমবার। ততদিন চাকরি বাতিলের রায় বহাল থাকবে।




