খবর লাইভ : গত ৭ এপ্রিল ঘাটালে দাঁড়িয়ে অভিষেক দাবি করেছিলেন, কয়েক মাস আগেও তৃণমূলে আসতে চেয়েছিলেন হিরণ। মঙ্গলবার সকালে হিরণকে এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সম্পাদকের ওই দাবি খারিজ করে দেন তিনি। পাল্টা দাবি করেন, অভিষেকই তাঁকে বার বার ফোন করে ডেকেছিলেন। তাই তিনি অভিষেকের দফতরে গিয়েছিলেন। দলকে পুরো বিষয়টি জানিয়ে তিনি গিয়েছিলেন বলেও দাবি করেন হিরণ। এই বিষয়ে তৃণমূলের বক্তব্য, তাদের অন্য কোনও দল থেকে লোক আনার প্রয়োজন পড়ে না।
ঘাটালে হিরণের নাম না করেই অভিষেক বলেছিলেন, ‘‘এখানে যাঁকে বিজেপি দাঁড় করিয়েছে, তিনি ছ’মাস-আট মাস আগে আমার দফতরে এসেছিলেন। তৃণমূলে ঢোকার জন্য এসেছিলেন। আমি দরজা বন্ধ করে দিয়েছি। ঢুকতে দিইনি। তারও সিসিটিভি ফুটেজ আছে। তাঁকেও বলব, ‘মিথ্যা কথা বলো, কিন্তু বেশি বলতে নেই।’’
আরও পড়ুনঃ ওড়িশার দুর্ঘটনায় মৃত বাংলার ৪, বিপর্যয় মোকাবিলা দল পাঠালো রাজ্য
তার পরই অভিষেককে কটাক্ষ করে হিরণের সংযোজন, “আমাদের পার্টির কিছু নির্দিষ্ট কৌশল আছে। আমরা কিছু জিনিস মেনে চলি। আমরা পাবলিসিটির জন্য ভুলভাল কথা বলি না।”শুভেন্দুর বিজেপিতে যাওয়া রুখতে অভিষেক ‘হাতেপায়ে ধরেছিলেন’ বলেও দাবি করে হিরণ বলেন, “২০২০ সালের ১ ডিসেম্বর উনি প্রশান্ত কিশোরের সঙ্গে গিয়েছিলেন শুভেন্দুদার কাছে। হাতেপায়ে ধরেছিলেন। তার সিসিটিভি ফুটেজ উনি প্রকাশ্যে এনেছেন?”
হিরণের সঙ্গে বিজেপির একাংশের সম্পর্ক ‘মধুর’ নয় বলে তাঁর দলেরই একাংশ দাবি করেন। মেদিনীপুরের বিদায়ী সাংসদ দিলীপ ঘোষের সঙ্গে খড়্গপুরের বিধায়ক হিরণের ‘সুসম্পর্কের’ কথাও কারও অজানা নয়।।




