খবর লাইভ : খুশির ঈদে রেড রোডের মঞ্চ থেকে নাম না করেই কেন্দ্রকে নিশানা করলেন মমতা। সকলে এককাট্টা হয় লড়াই করলে কেউ বিভাজনের রাজনীতি করতে পারবেনা। বৃহস্পতিবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে ঈদের নমাজে উপস্থিত হন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। সম্প্রীতি ঐক্যের বার্তা দিয়ে মমতা বলেন, এজেন্সিকে ব্যবহার করে যতই অত্যাচার করুক না কেন আমরা ভয় পাই না। এদিন মঞ্চ থেকে এনআরসি- সিএএর পাশাপাশি ইউনিফর্ম সিভিল কোড নিয়েও সুর চড়ান মমতা।
নির্বাচনী প্রচারের মাঝেই উত্তরবঙ্গ থেকে কলকাতায় ফিরেছিলেন তৃণমূল নেত্রী। জানিয়েছিলেন ইদের নামাজে রেড রোড থেকেই মুসলিম ধর্মাবলম্বী মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে বার্তা দেবেন। সেই মতো এদিন সকাল ন’টার কিছু সময় পরে মঞ্চে উপস্থিত হন মমতা – অভিষেক। সকলকে শুভেচ্ছা জানান বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। তিনি মাইক্রোফোন হাতে নিতেই চারিদিকে শুরু হয়ে যায় জয়ধ্বনি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকা এক ছোট্ট শিশুকে কোলে তুলে নিতেও দেখা যায় তাঁকে।এক মাস ধরে রোজা রাখার পর এই ইদ খুশির বার্তা বয়ে আনে। সকলকে এভাবেই একসঙ্গে থাকার এবং লড়াই করার কথা বলেন মমতা। ইডি-সিবিআই আয়কর দপ্তরের মতো কেন্দ্রীয় এজেন্সি যেভাবে ভয় দেখিয়ে একের পর এক তৃণমূল নেতা কর্মীদের গ্রেফতার করছে তাতে সেন্ট্রালের আরও একটা জেল বানানোর প্রয়োজন হবে বলেও কটাক্ষ করেন তিনি। তাঁর কথায়, ঘৃণার রাজনীতি বরদাস্ত নয়। জুলুমবাজি ভাঁওতাবাজি করে মানুষের আশীর্বাদ পাওয়া যায় না। সিএএ – এনআরসি প্রসঙ্গে মমতা বলেন প্রথমটা যদি মাথা এবং শেষেরটা যদি ল্যাজা হয় তাহলে ইউসিসি হচ্ছে পেট। আসলে ব্যক্তি-স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে। ভয় দেখিয়ে যতই ভোটে প্রভাব খাটানোর চেষ্টা হোক না কেন, বাংলার মানুষ ভয় পায় না। দেশে ইন্ডিয়া জোটের প্রসঙ্গ তুলে ধরে, তৃণমূল সুপ্রিমো বলেন বাংলায় লড়াইটা বিজেপির বিরুদ্ধে, তাই তৃণমূল ছাড়া অন্য কাউকে একটিও ভোট নয়। ‘চাইলে ওরা জেলে ভরে দিতে পারে কিন্তু মনোবল ভাঙতে পারবে না।’ ইদের মঞ্চ থেকে নববর্ষের অগ্রিম শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি রামনবমীতে বিজেপির অশান্তি পাকানোর চক্রান্তের প্ররোচনায় পা না দেওয়ার জন্য সকলকে সতর্কও করেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী।




