খবর লাইভ : ঠিকাদারদের দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসালে তাঁরা দলের কথা না ভেবে ব্যক্তিগত আখের গোছাতেই যে সচেষ্ট হবেন তা কেন্দ্রীয় সংস্থার হাতে গ্রেফতার শেখ শাহজাহান, বাকিবুর রহমানদের দেখলেই বোঝা যায়। তারপরেও যে তৃণমূল কোনও শিক্ষা নেয়নি তা হুগলির জাঙ্গিপাড়ার রাধানগর গ্রাম পঞ্চায়েতকে দেখলেই বোঝা যায়। এই পঞ্চায়েতের হর্তা, কর্তা, বিধাতা হিসেবে কিছু নেতা তুলে ধরেছেন জাহাঙ্গীর মন্ডল নামে ঠিকাদার থেকে নেতা হওয়া এক ব্যক্তিকে। জাঙ্গিপাড়া ব্লক কিষাণ ও ক্ষেতমজুর সেলের সভাপতি জাহাঙ্গীরই যেন বর্তমানে দলের এই পঞ্চায়েতের মুখ। কিছুদিন আগেই খবর লাইভের পক্ষ থেকে দেখানো হয়েছিল কৃষ্ণপুর গ্রামে একটি ড্রেনের বর্তমান চিত্রকে। যেটি অসম্পূর্ণ করেই টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে বলে গ্রামবাসীদের অভিযোগ। ঠিক একইভাবে এই গ্রামে আরও একটি ড্রেন করা হয়েছে। যেটি বাবলা তলা থেকে মনসা তলা পর্যন্ত হওয়ার কথা থাকলেও প্রায় অর্ধেক কাজ এখনও না করেই টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে বলে খবর। প্রায় ৬ লক্ষ টাকা খরচ করে ওই ড্রেন নির্মাণের কাজটি করা হয়েছে বলে দাবি করা হলেও তার অর্ধেক কাজ হয়েছে কিনা সন্দেহ।
আরও পড়ুনঃ৪০ পেরিয়ে চড়ছে পারদ, বুধ থেকেই বইবে ‘লু’!
এভাবেই দিনের পর দিন এই রাধানগর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় একের পর এক দুর্নীতি করা হয়েছে। বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে সেই সমস্ত নথি পেশ করেছেন। শুভেন্দু বলেন, ‘এই দুর্নীতির আমরা শেষ দেখে ছাড়ব। আপনারা তথ্য দিয়ে আমাদের আরও সাহায্য করুন। আমি জানি খবর লাইভের সম্পাদক পীযূষ চক্রবর্তী ও তাঁর পরিবারের উপর তৃণমূল বীভৎস অত্যাচার চালিয়েছে। আমরা আপনাদের পাশে রয়েছি, মোদিজি আপনাদের সঙ্গে রয়েছেন।’
তবে রাধানগর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় একের পর এক বেআইনি কাজ হলেও এখনও স্থানীয় বিধায়ক তথা পরিবহন মন্ত্রী স্নেহাশীষ চক্রবর্তীর আস্থাভাজন হিসেবেই রয়েছেন জাহাঙ্গীর। খবর লাইভের পক্ষ থেকে লাগাতার বেআইনি কাজের বিরুদ্ধে খবর করা হলে সাংবাদিক পীযূষের জায়গা দখল করে নেয় জাহাঙ্গীর ঘনিষ্ঠরা। পাশাপাশি জল ধরো জল ভরো প্রকল্পে তাঁর বাড়িতে জলের পাইপ লাইন পর্যন্ত দেওয়া হয়নি এখনও। যদিও পাশের প্রায় সকলের বাড়িতেই জলের লাইন চলে গিয়েছে।


