National Special News Special Reports

বিজেপি শাসিত রাজ্যে বাংলার পুলিশেই আস্থা নির্বাচন কমিশনের

0
(0)

খবর লাইভ : লোকসভা ভোটের আগে বাংলা নিয়ে চিন্তার শেষ নেই! ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগে থেকেই কলকাতা-সহ বাংলার একাধিক প্রান্তে কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠিয়ে ‘অতিতৎপরতা’ জাতীয় নির্বাচন কমিশনের। বাংলায় নির্বাচন করতে গেলে কেন্দ্রীয় বাহিনী ছাড়া কোনওভাবেই যে ভোটাভুটি সম্ভব নয় সেই বুলি প্রথম থেকে আওড়ে চলে কেন্দ্রের মোদি সরকার। বাংলায় পুলিশ প্রশাসনের নম্বর নির্বাচন কমিশনের কাছে যে ‘বিগ জিরো’ তা নিয়ে আগে থেকেই কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সরব তৃণমূল কংগ্রেস। কিন্তু এবার ভোটের মুখে এমন এক ছবি সামনে এল যা শুনলে অবাক হবেন আপনিও। এবার বাংলার পুলিশের উপর আস্থা রেখেই ভিন রাজ্যে ভোটের কাজে তাঁদের ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিল কমিশন। সূত্রের খবর আজ অর্থাৎ বুধবার রাজ্যের মোট ১৫ কোম্পানি পুলিশ মধ্যপ্রদেশ ও ছত্তিশগড়ে পাঠানো হচ্ছে। কিন্তু বাংলার যে পুলিশের উপর প্রথম থেকেই অনাস্থা ছিল কেন্দ্রের, সেখানে আচমকা বিজেপি শাসিত দুই ডবল ইঞ্জিন রাজ্যে কেন তাঁদের পাঠানো হচ্ছে তা নিয়ে ইতিমধ্যেই উঠতে শুরু করেছে প্রশ্ন।

আরও পড়ুনঃ ইউরো কাপে জার্মানির টিকিট নিশ্চিত করল ইউক্রেন, পোল্যান্ড এবং জর্জিয়া

মধ্যপ্রদেশে লোকসভা নির্বাচনের জন্য বাংলার ৫ কোম্পানি পুলিশ মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ইতিমধ্যে, দুর্গাপুর সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী থেকে ৫ কোম্পানি বাহিনী ডবল ইঞ্জিন মধ্য প্রদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। আগামী ৮ এপ্রিল থেকে মধ্যপ্রদেশে কাজ শুরু করে দেবেন তাঁরা। অন্যদিকে, রাজ্য পুলিশের ১০ কোম্পানি বাহিনী পাঠানো হচ্ছে ডবল ইঞ্জিন ছত্তিশগড়েও। এই ১০ কোম্পানি বাহিনীর মধ্যে ব্যারাকপুর সশস্ত্র বাহিনী ব্রিগেড থেকে ৫ কোম্পানি, উত্তরবঙ্গ সশস্ত্র বাহিনী ব্রিগেড থেকে ২ কোম্পানি, ইএফআর ব্রিগেড থেকে ১ কোম্পানি, কলকাতা পুলিশ থেকে ২ কোম্পানি বাহিনীকে ছত্তিশগড়ে লোকসভা নির্বাচনে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে খবর। আগামী ১ এপ্রিল থেকে সেখানে বাংলা পুলিশের ১০ কোম্পানি বাহিনী কাজ শুরু করে দেবে।

তবে নির্বাচন কমিশনের তরফে বাংলার পুলিশকে স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছে, প্রত্যেক অফিসারকে ৯ এমএম পিস্তল সঙ্গে রাখতেই হবে। এছাড়া কনস্টেবলরা সঙ্গে রাখবেন এসএলআর ও ইনসাস। বুধবার দুপুরে রাজ্য পুলিশের প্রত্যেকটি কোম্পানি কলকাতা স্টেশন থেকে দুপুর ৩টের সময় বিশেষ ট্রেনে চেপে গন্তব্যস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়ে দিয়েছে। কিন্তু লোকসভা নির্বাচনের আগে কমিশনের এমন পদক্ষেপের পিছনে মোদির ‘কেন্দ্রীয় বাহিনী’ নিয়ে সুর যে অনেকটাই ফিকে হয়ে গেল তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *