খবর লাইভ : নির্বাচন কমিশনের ১৪ মার্চ প্রকাশিত ইলেক্টোরাল বন্ডের ১,৩১৩ ক্রেতার তালিকায় কোম্পানিগুলোর আধিপত্য রয়েছে। কিন্তু ৩৬৮ জন ক্রেতা ব্যক্তি, যারা সম্মিলিতভাবে ৩৭৮ কোটি টাকার নির্বাচনী বন্ড কিনেছেন। আর্সেলর মিত্তলের নির্বাহী চেয়ারম্যান লক্ষ্মী মিত্তাল স্বতন্ত্র দাতাদের প্যাকে নেতৃত্ব দেন
শীর্ষ ১০ জন ব্যক্তি ১৭২ কোটি টাকার বন্ড কিনেছেন – ব্যক্তিদের দ্বারা কেনা মোটের ৪৫শতাংশ। তারা ব্যবসায়ী যারা বিমান চলাচল, উৎপাদন, ফার্মাসিউটিক্যালস এবং যোগাযোগের মতো সেক্টরে বিস্তৃত, যদিও ১০টির মধ্যে চারটি মোটামুটি অস্পষ্ট।সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে গত মঙ্গলবার নির্বাচনী বন্ডের তথ্য জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে জমা দিয়েছিল স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (এসবিআই)। বৃহস্পতিবারের মধ্যেই সেই তথ্য প্রকাশ্যে এনেছে নির্বাচন সদন।
কত তারিখে কোন সংস্থা কত টাকার বন্ড কিনেছিল, তার বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে। যাতে দেশের অগ্রগণ্য বহু শিল্পগোষ্ঠীর নাম রয়েছে। প্রাপক দলের তালিকায় বিজেপি, কংগ্রেস, ডিএমকে, ওয়াইএসআর কংগ্রেস, তৃণমূল, শিরোমণি আকালি দল, বিআরএসের মতো দলগুলি রয়েছে।২০১৮ সাল থেকে নির্বাচনী বন্ডের মাধ্যমে বিজেপির প্রাপ্ত টাকার পরিমাণ ছয় হাজার ৯৮৬ কোটি ৫০ লাখ। তার পরেই তালিকায় থাকা তৃণমূল পেয়েছে এক হাজার ৩৯৭ কোটি টাকা। সেখানে কংগ্রেসের তহবিলে গিয়েছে এক হাজার ৩৩৪ কোটি টাকা। আর বিআরএস নির্বাচনী বন্ড ভাঙিয়ে পেয়েছে এক হাজার ৩২২ টাকা।
বর্তমানে লক্ষ্মী ব্রিটেনে থাকেন। সেখানে থেকেই ব্যবসায়িক রমরমা। তবে ভারতের রাজনীতিতেও যে তাঁর নজর রয়েছে, তা স্পষ্ট হয়েছে নির্বাচনী বন্ডের তথ্য খতিয়ে দেখার পর।




