খবর লাইভ : বেলা গড়াতেই গার্ডেনরিচের বহুতল ভেঙে পড়ার ঘটনায় বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। এখনও ৬জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। এখনও কয়েকজন ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে আছেন। উদ্ধারকাজ শেষ হতে বিকেল হয়ে যেতে পারে বলে দমকল সূত্রে খবর।
এখনও পর্যন্ত যে ৬জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে তাঁরা হলেন,
১। আকবর আলি (৩৪)
২। রিজওয়ান আলম (২৩)
৩। মহম্মদ ওয়াসিক (১৯)
৪। হাসিনা খাতুন (৫৫)
৫। শামা বেগম (৪৪)
৬। মহম্মদ ইমরান (২৭)
রবিবার মধ্যরাতে গার্ডেনরিচের নির্মীয়মাণ বহুতল ভেঙে পড়ে। বেশ কয়েকটি টালির চালের বাড়ি গুঁড়িয়ে যায়। রাতেই সেখানে পৌঁছন কলকাতার মেয়র তথা রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। যান দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুও। তাঁরা সারা রাত এলাকায় ছিলেন। ঘটনাস্থলেই দুজনের মৃত্যু হয়। পরে উদ্ধারকাজ যত এগোতে থাকে, ততই মৃত্যুর সংখ্যা বাড়তে থাকে। প্রশাসন সূত্রে খবর, মৃতেরা হলেন শামা বেগম, হাসিনা খাতুন, রিজওয়ান আলম, আকবর আলি, মহম্মদ ওয়াসিক ও মদম্মদ ইমরান। ধ্বংসস্তূপ থেকে যাঁদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, তাঁদের চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। এখনও পর্যন্ত আহতের সংখ্যা ১৬ জন। তবে ধ্বংসস্তূপের নীচে আরও কেউ কেউ আটকে রয়েছেন বলে আশঙ্কা।
যে চার জনকে চিকিৎসার পর এসএসকেএম থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে, তাঁরা হলেন, জাহারা বেগম, মহম্মদ আসলাম, শাহিনা খাতুন এবং নুর সালিম ইসলাম। এখনও পর্যন্ত ১২ জন চিকিৎসাধীন। তিন জন শিশুও রয়েছে।
সোমবার, সকালে আহত অবস্থাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। এলাকা ঘুরে দেখেন এবং হাসপাতালে গিয়ে আহতদের সঙ্গে কথা বলেন। অভিযুক্ত বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের আশ্বাস দেন তিনি। এরপরেই গ্রেফতার করা হয় অভিযুক্ত প্রোমোটরকে। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, খুবই দুঃখজনক ঘটনা। প্রশাসন উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে। বিরোধীদেরও উচিত এখন সমালোচনা না করে উদ্ধারকাজে হাত লাগানো, পাসে থাকা। সরকারের তরফে মৃতদের পরিবার পিছু পাঁচ লক্ষ টাকা এবং আহতদের এক লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্য দেওয়া হবে বলে জানান ফিরহাদ।


