খবর লাইভ : বিচারপতি পদ ছাড়ার পরেও অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের লক্ষ্য সেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার বিজেপিতে যাওয়ার কথা ঘোষণা করার পর অভিজিৎ বলেন, যদি লোকসভা ভোটে ডায়মন্ড হারবারের প্রার্থী হই, তবে ওঁর দুর্বৃত্ত দলের মোকাবিলা করে ওঁকে লাখ লাখ ভোটে হারাব। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক যা শুনে বলেছেন, গণতান্ত্রিক দেশে যে যেখানে খুশি দাঁড়াতে পারেন এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন। আমার কিছু বলার নেই। উনি আমার নাম না করে অনেক কিছু বলেছেন। বিজেপির নেতারাও আমার নাম নেন না। এ ব্যাপারে ইতিমধ্যেই বিজেপির নেতাদের সঙ্গে ওঁর মিল পাচ্ছি।
এদিন অভিজিৎকে প্রশ্ন করা হয়, তিনি কি অভিষেককেই লক্ষ লক্ষ ভোটে হারানোর কথা বলছেন? জবাবে হাই কোর্টের সদ্য অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি সরাসরি কারও নাম বলেননি। তিনি বলেন, আমি কারও নাম নেব না। তবে কোনও তালপাতার সেপাইকে আমি পরোয়া করি না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আমি এক জন প্রকৃত রাজনীতিবিদ বলে মনে করি। তবে কোনও তালপাতার সেপাইকে দুষ্কৃতীর বেশি অন্য কিছু ভাবতে পারছি না।কে ‘তালপাতার সেপাই’? অভিজিতের ব্যাখ্যা, যাঁকে আপনারা সেনাপতি বলেন!
আরও পড়ুনঃ বিজেপিতেই যোগ দিচ্ছেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়
অভিষেক নিজে যদিও দলের কর্মী হিসাবেই উল্লেখ করেন। তবে তাঁর অনুগামীরা তাঁকে ‘সেনাপতি’ বলে উল্লেখ করেন। সম্প্রতি ব্রিগেড সমাবেশের একটি দলীয় চিঠিতে, দলের প্যাডে অভিষেককে ‘সেনাপতি’ হিসাবে উল্লেখ করা হয়। ফলে বিচারপতির লক্ষ্য যে তিনিই সে ব্যাপারে কার্যত নিশ্চিত রাজনীতির কারবারিরা। যদিও তাঁকে নাম উল্লেখ করার ব্যাপারে জোর দেওয়া হলে অভিজিৎ বলেন, আমি কি এখানে কোনও অশালীন কথা বলছি? ওর নাম আমি করব না। অভিষেকের করা মামলাতেই তাঁর নির্দেশ প্রথম সুপ্রিম কোর্টের প্রশ্নের মুখে পড়ে এবং হাতছাড়া হয়ে যায় নিয়োগ দুর্নীতির সংক্রান্ত বহু মামলা।ওই ঘটনার পর কলকাতা হাই কোর্টের সামনে দাঁড়িয়ে অভিজিৎকে বলতে শোনা গিয়েছিল,আজ আমার মৃত্যুদিন।নারদ কাণ্ডের চক্রান্ত থেকে শুরু করে ডায়মন্ড হারবারে দুর্বৃত্তদের দল চালানো— নাম না করে অভিষেকের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ এনেছেন তিনি।




