খবর লাইভ : কেন্দ্রের মোদি সরকারের লাগাতার বঞ্চনা স্বত্বেও বাংলার মানুষের জন্য সদা সচেষ্ট মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বঞ্চিতদের ১০০ দিনের টাকা আটকে রাখাই হোক বা হাজারো বঞ্চনার পরেও প্রথম থেকেই কেন্দ্রের মোদি সরকারের বিরুদ্ধে সরব বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর। ইতিমধ্যে রেড রোডের ধরনা মঞ্চ থেকে কেন্দ্র না দেওয়ায় রাজ্যে একশো দিনের কাজে মজুরি হিসেবে বকেয়া টাকা তাঁর সরকারই মিটিয়ে দেবে বলে ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি লোকসভা নির্বাচনের আগে লক্ষ্মীর ভান্ডার, স্বাস্থ্যসাথী-সহ বিভিন্ন সামাজিক প্রকল্পে বরাদ্দের উপরে সাধারণ মানুষের নজর থাকবেই। তবে লক্ষ্মীবারে বিভিন্ন সামাজিক প্রকল্পে বরাদ্দ এবং ঘাটতির মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখাই রাজ্যের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ।
বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টেয় রাজ্য বিধানসভায় বাজেট পেশ করা হবে। এ বছর লোকসভা নির্বাচনের কারণে অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। লোকসভা নির্বাচনের পর নতুন সরকার গঠন হলে সেই নতুন সরকার ফের বাজেট পেশ করবে। সে ক্ষেত্রে রাজ্য সরকারের কাছেও ফের বাজেট পেশ করার সুযোগ থাকছে। এদিকে বাজেট পেশের আগে এদিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে বিধানসভায় তাঁর ঘরে হবে মন্ত্রিসভার বৈঠক। সেখানেই বাজেট অনুমোদন হবে। তারপর রাজ্যের অর্থ প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বিধানসভায় বাজেট পেশ করবেন। তবে চলতি বাজেটকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সেকারণেই সম্প্রতি এক দেশ এক নির্বাচন নিয়ে দিল্লিতে বৈঠকে উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও একেবারে শেষ মুহূর্তে বাজেটের জন্য তা বাতিল করেন। অতএব প্রথম থেকেই সবদিক সামলে কীভাবে রাজ্যবাসীকে একটা উন্নয়নমূলক বাজেট উপহার দেওয়া যায় সেদিকে নজর রাজ্যের।
আরও পড়ুনঃ টানা দেড় ঘণ্টা, রাজ্যসভায় দীর্ঘ ‘মন কি বাত’ মোদির
প্রশাসনের দাবি, লক্ষ্মীর ভান্ডার, স্বাস্থ্যসাথী, নতুন কৃষকবন্ধু এবং পড়ুয়া ঋণ-কার্ডে উপভোক্তার সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। কিছুদিন আগে পর্যন্ত লক্ষ্মীর ভান্ডারে প্রায় ১.৯৮ কোটি উপভোক্তা ছিলেন। সরকারি সূত্রে খবর, অগস্ট পর্যন্ত এই প্রকল্পে খরচ হয়েছে প্রায় ২২ হাজার কোটি টাকা। সেখানে এখন উপভোক্তার সংখ্যা দু’কোটি ছাড়িয়েছে। ফলে বাড়ছে রাজ্যের খরচ। আর রাজ্যের সব দিক সামলে বৃহস্পতিবার বাজেটে নয়া চমকের দিকেই তাকিয়ে রাজ্যবাসী।



