Special News Special Reports State

রাজ্যের জলপ্রকল্পে ১ হাজার কোটি টাকা দিল কেন্দ্র

0
(0)

খবর লাইভ : বারবার বকেয়া আদায়ের জন্য ধর্না, আন্দোলন এমনকি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকেও চিড়ে ভেজেনি। অবশেষে লোকসভা ভোটের মুখে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রের বঞ্চনার বিরুদ্ধে ধর্নায় বসতেই রাজ্যের বকেয়া মেটানো শুরু করল কেন্দ্র সরকার। শুক্রবারই কেন্দ্রের তরফে জল জীবন মিশনের ১ হাজার কোটি টাকা বাংলার জন্য বরাদ্দ করল মোদি সরকার।

বৃহস্পতিবারই কেন্দ্র সরকারের অন্তর্বর্তীকালীন বাজেট পেশ করেছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। আর সেখানে কেন্দ্র সরকারের ভূয়সী প্রশংসা করে বিভিন্ন প্রকল্পের খতিয়ান তুলে ধরা হয়েছে। অথচ বাংলার দিকে তাকালেই বোঝা যাচ্ছে সেই অর্থমন্ত্রীর সেই দাবি কতটা ভাঁড়ে মা ভবানী। বাংলায় কেন্দ্র সরকারের সব প্রকল্পই প্রায় কেন্দ্রীয় বরাদ্দের অভাবে মুখ খুবড়ে পড়ার মুখে। রাজ্য সরকার বিভিন্ন প্রকল্পে নিজেদের তহবিল থেকে টাকা দিয়ে মানুষকে পরিষেবা দিয়ে যাচ্ছে, এমন হিসাব বারবার তুলে ধরেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

শুক্রবার থেকেই ৪৮ ঘণ্টার ধর্নায় বসেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কার্যত লোকসভা ভোটের আগে মুখ্যমন্ত্রীর এই পদক্ষেপ কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের ওপর যে কতটা চাপ বাড়িয়েছে তা প্রমাণিত হল ধর্না শুরু হতেই। কেন্দ্র সরকারের তরফে বাড়ি বাড়ি জল পৌঁছানোর প্রকল্পে ১ হাজার কোটি টাকা অনুমোদন করল কেন্দ্র। এই প্রকল্প ২০২৫ সালের মধ্যে সম্পূর্ণ করার জন্য ইতিমধ্যেই উদ্যোগ নিয়ে নিয়েছে রাজ্য সরকার।

তবে লোকসভা ভোটের আগে মুখ্যমন্ত্রীর আন্দোলনের ভয়েই এই টাকা ছাড়ল কেন্দ্র সরকার, তার পাশাপাশি আরও একটি চাপ রয়েছে মোদি সরকারের ওপর। বৃহস্পতিবার যে বাজেট পেশ হয় তাতে দেখা যায় জল জীবন মিশনে অনেক রাজ্যেই অনেক পিছিয়ে কেন্দ্রীয় প্রকল্প। বাংলাও তার মধ্যে অন্যতম। এবার ভোটের আগে জল প্রকল্পের টাকা বরাদ্দ করে নিজেদের প্রকল্পের নাম ভাঙিয়ে ভোটের দাবিতে ঘরে ঘরে পৌঁছাতে পারে বিজেপি, এমনটাও আশঙ্কা করা হচ্ছে। যদিও মুখ্যমন্ত্রী সম্প্রতি বিভিন্ন সভা থেকে বুঝিয়ে দিয়েছেন এই টাকা বাংলার প্রাপ্য, তা আটকে রেখেই দীর্ঘদিন ধরে বাংলার মানুষের ওপর অন্যায় করে চলেছে মোদি সরকার।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *