খবর লাইভ : বাংলার বকেয়ার দাবি করতেই ক্যাগ রিপোর্ট দেখাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তার জবাব দিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে কড়া চিঠি লিখলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার বকেয়ার দাবিতে শুক্রবার থেকে রেড রোডে ৪৮ ঘণ্টা ধর্না শুরু করেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই ধর্নামঞ্চ থেকেই নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি পাঠান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান, বিকৃত তথ্য় আর মিথ্যেয় ভরা রিপোর্ট। ২০০৩ নিয়ে রিপোর্টে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। অথচ তখন তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় থাকা তো দূরের কথা দলের বয়স পাঁচ বছর।
ক্য়াগ রিপোর্টকে কেন্দ্রকে একেবারে তুলোধোনা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। ধর্না মঞ্চ থেকে তিনি তোপ দেগে বলেন, “কোনওদিন এটা হয়নি। ২০০৩ সাল থেকে বলছে। আরে ২০০৩ সালে আমি ছিলাম? ২০১১ সাল থেকে দায়িত্ব নেব। সব ইউটিলাইজেশন সার্টিফিকেট গেছে। টোটাল মিথ্য়া কথা। চিঠিটা পড়ে নেবেন। তাতে লেখা আছে প্রতিটা সার্টিফিকেট সময় মতো পাঠিয়েছি। ২ লাখ কোটি টাকা যেটা বলছে পুরো মিথ্যে কথা। ক্যাগের কাছে কোনও তথ্য়ই ছিল না যে কোনটা লিখতে হবে। কী না লিখব! এটা পুরো বিকৃত তথ্য়। এটা বিজেপি দল লিখেছে।“
মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, “ক্রশ চেক করেই আমি লিখেছি।“ এরপরে চিঠির কপি পড়ে শোনান, “আমরা পর্যালোচনা করে দেখেছি, এটা দেখা গিয়েছে সংশ্লিষ্ট দফতর নির্দিষ্ট সময়ে ইউটিলাইজেশন সার্টিফিকেট পাঠিয়েছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকের কাছে। একেবারে নির্দিষ্ট ফরম্যাটে এটা পাঠানো হয়েছে। সেই সার্টিফিকেট দেখেই আপনারা অনুদান পাঠিয়েছেন। কোথাও কোনও বকেয়া ইউটাইলেজেশন সার্টিফিকেট নেই। এটা খুব দুঃখজনক যে ক্য়াগের মতো সংস্থা এমন কথা কী করে বলল!“
মুখ্যমন্ত্রী জানান, ধর্নামঞ্চে থেকে সই করে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি পাঠিয়েছেন তিনি।




