খবর লাইভ : নিজেকে ইডি অফিসার বলে পরিচয় দিয়েছিলেন প্রদীপ সাহা। বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে কয়েক লক্ষ টাকাও হাতিয়েছিলেন। তবে সন্দেহ হওয়ায় মঙ্গলবার প্রদীপের হাত-পা বেঁধে সটান সিজিওতে হাজির হন ওই তরুণীর পরিবারের সদস্যরা। পরিচয় ফাঁস হতেই সিজিও-র মূল ফটকের বাইরে তাঁকে মারধর করা হয়।
অভিযোগকারী পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, তাঁদের বাড়ি বিরাটিতে। প্রায় ন’মাস আগে শাদি ডট কমের ওয়েবসাইটে তাঁদের বাড়ির মেয়ের সঙ্গে আলাপ জমান প্রদীপ। নিজেকে ইডি অফিসার বলেও পরিচয় দেন। এর পর দুই পরিবারের মধ্যে কথাবার্তা এগোয়। বিয়ের কার্ডও ছাপা হয়ে গিয়েছিল। তবে বিয়ে ঠিক হওয়ার পর থেকেই প্রদীপের দাবি দাওয়া বাড়ছিল বলে অভিযোগ তরুণীর পরিবারের সদস্যদের। অভিযোগ, কয়েক ধাপে তাঁদের কাছে প্রায় চার লক্ষ টাকা নেন প্রদীপ।
আরও পড়ুনঃ অখিলেশের একতরফা প্রার্থী ঘোষণায় উত্তরপ্রদেশে ‘ইন্ডিয়া’র ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন
তরুণীর পরিবার জানিয়েছে, প্রদীপের টাকার চাহিদা উত্তরোত্তর বাড়তে থাকায় তাদের সন্দেহ হয়। প্রদীপের সম্পর্কে খোঁজ নিতে সোমবার সরাসরি সিজিও পৌঁছে যান তরুণীর ভাই দেবজিৎ সাহা। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দফতরে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, প্রদীপ ওখানে কাজ করেন না। এর পরেই প্রদীপের হাত-পা বেঁধে তাঁকে নিয়ে মঙ্গলবার সিজিও কমপ্লেক্সে আসে তরুণীর পরিবার। সেখানে তাঁকে মারধর করা হয়। তাঁর কাছ থেকে ইডির ভুয়ো কার্ড এবং ‘ইডি’ লেখা জ্যাকেট উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
তরুণীর পরিবারের অভিযোগ, ইডির ভুয়ো কার্ড দেখিয়েই বিবাহযোগ্য তরুণীদের জন্য ফাঁদ পাততেন প্রদীপ। আরও অভিযোগ, প্রদীপের মা এবং বোনও তাঁকে সেই কাজে মদত করতেন। তরুণীর পরিবারের অভিযোগ, ফোনের একটি অ্যাপের মাধ্যমে সেই প্রতারণা চক্র চালাতেন প্রদীপ। যদিও প্রদীপের দাবি, জোর করে তাঁর গলায় ইডির কার্ড পরিয়ে দেওয়া হয়েছে। নিজেকে নির্দোষ বলেও দাবি করেছেন তিনি।



