Special News Special Reports State

বীরভূম নিয়ে দলের বৈঠকে কেন গরহাজির অভিষেক, খোলসা করলেন মমতাই

0
(0)

খবর লাইভ : লোকসভা নির্বাচনের আগে প্রত্যেকে জেলাকে নিয়ে রুদ্ধদ্বার মিটিং করছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মহারণের আগে দলের খোলনলচে বদলে লড়াইয়ের ময়দানে নামার বার্তা দেওয়া হচ্ছে বৈঠক থেকে। মঙ্গলবার বৈঠকে ছিল কেষ্টর জেলা। বীরভূম জেলার নেতৃত্বকে নিয়ে বৈঠক সারেন করেন মমতা। তবে সেই বৈঠকে গরহাজির ছিলেন তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন ‘সেনাপতি’ অনুপস্থিত? কারণ জানালেন মমতা নিজেই।

মঙ্গলবার কালীঘাটে বীরভূম জেলার পদাধিকারীদের নিয়ে বৈঠক করেন তৃণমূল সুপ্রিমো। অন্যান্য দিনের মতো এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী। ছিলেন ফিরহাদ হাকিম। তবে উপস্থিত ছিলেন না অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বৈঠক শেষে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, অভিষেকের কিছু নথি সংক্রান্ত কাজ রয়েছে। ড্রাফটিং সই করার কাজ আছে বলেই অভিষেক বৈঠকে আসেননি বলে জানান নেত্রী।

বীরভূম জেলায় তৃণমূল কংগ্রেসের ব্যাটন হাতে ছিল অনুব্রত মণ্ডলের। বর্তমানে তিনি তিহাড় জেলে। মমতার প্রিয় কেষ্টর জেলা যাত্রার পর থেকেই জেলায় নতুন সভাপতি নিয়োগ করেননি মমতা। কিছুদিন আগেই জেলায় তৃণমূলের কর্ম পরিচালনার দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয় নয়জনের একটি কমিটির কাঁধে। তবে এদিন দল পরিচালনার কমিটিকে আরও ছোট করে আনেন তৃণমূল সুপ্রিমো। লোকসভা নির্বাচন পরিচালনা, প্রচার সহ যাবতীয় কর্মকাণ্ড দেখার জন্য পঞ্চপাণ্ডব বেছে নেন মমতা।

আরও পড়ুনঃ এবার মহুয়ার প্রাক্তন বন্ধু জয়কে ডেকে পাঠাল সিবিআই

এর আগে অন্যান্য জেলার বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশের আসনেই উপবিষ্ট থাকেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কয়েকদিন আগেই মুর্শিদাবাদ জেলার প্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠক করা হয়। সেই বৈঠকেও দেখা গিয়েছিল অভিষেককে। তবে এদিন বৈঠকের শুরুতেই অভিষেক না থাকায় জল্পনা শুরু হয় জেলার নেতাদের মধ্যে। গতকাল সংহতি মিছিলে একসঙ্গে ছিলেন মমতা – অভিষেক। দলের গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে থাকলেও বৈঠকে কেন নেই তিনি? প্রশ্ন ঘোরাফেরা করতে থাকে নেতাদের মধ্যে। অবশেষে, সেই রহস্য নিজেই ভেদ করেন দলনেত্রী।
উল্লেখ্য, এদিনের বৈঠক থেকে চন্দ্রনাথ সিনহা, বিকাশ, রানা, সুদীপ্ত ও আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে একটি কোর কমিটি গড়ে দেন মমতা। উল্লেখযোগ্যভাবে, এই কোর কমিটি থেকে বাদ গিয়েছে কাজল শেখের নাম। অনুব্রত পর্ব অতীত হওয়ার পর থেকেই কাজলের দায়িত্ব বেড়েছিল জেলায়। কাজল শেখকে জেলা পরিষদের সভাধিপতি করাও হয়। কিন্তু, নির্বাচনী কমিটি থেকে বাদ যায় তাঁর নাম। যদিও, এই বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলতে চাননি জেলা নেতৃত্বরা।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *