Special News Special Reports State

কেন্দ্র-বিরোধী মঞ্চে মমতা-অভিষেক পাশাপাশিই !

0
(0)

খবর লাইভ : হাজরা থেকে পার্ক সার্কাস পর্যন্ত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা মিছিলে হাঁটলেন দলের ‘সেনাপতি’ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে বেশ কিছুটা দূরে। মমতার অনেক পিছনে ছিল ‘টিম অভিষেক’। মিছিলে তাঁদের এক ফ্রেমে পাশাপাশি দেখা যায়নি। তবে পার্ক সার্কাস ময়দানের সভামঞ্চে দেখা গেল নেত্রী এবং সেনাপতি পাশাপাশি। একান্তে কানে-কানে কথাও বলতে দেখা গেল দু’জনকে। যা নিঃসন্দেহে শাসক শিবিরের কাছে ‘স্বস্তি’র বিষয়।

দল পরিচালনার পদ্ধতি নিয়ে দু’জনের খানিক ‘মনান্তর’ হয়ে থাকতে পারে। যা রাজনীতিতে কালে কালে, যুগে যুগে হয়ে এসেছে। ‘কর্মপদ্ধতি’ নিয়ে পূর্ববর্তী প্রজন্মের সঙ্গে পরবর্তী প্রজন্মের মতবিরোধ হয়ে থাকে। মমতা-অভিষেকের মধ্যে বহুচর্চিত ‘দূরত্ব’ তার বেশি কিছু নয়। পার্ক সার্কাসের সভামঞ্চ তা আরও এক বার বুঝিয়ে দিয়েছে।

নেত্রী আগেই জানিয়েছিলেন, তিনি হাঁটবেন সর্বধর্মের প্রতিনিধিদের নিয়ে। মিছিলের পুরোভাগে ছিলেন তাঁরাই। সর্বধর্মের প্রতিনিধিদের সামনে ছিলেন মমতা। তাঁদের পিছনে বেশ খানিকটা জায়গা ফাঁকা রাখা হয়েছিল। তার পরে ছিল মূল মিছিলের জমায়েত। তারই সামনের দিকে ছিলেন অভিষেক। তাঁর পাশে দেখা গেল মন্ত্রী সুজিত বসু, জাভেদ খান, কলকাতা পুরসভার ৭৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায় (পারিবারিক সম্পর্কে অভিষেকের কাকিমা), ১০৯ নম্বরের অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়, বিধাননগরের মেয়র কৃষ্ণা চক্রবর্তীদের।

যদিও ‘সংহতি’ মিছিলের প্রচারে গোটা কলকাতা জুড়ে তৃণমূলের তরফে যে হোর্ডিং, ফ্লেক্স ঝোলানো হয়েছিল, তাতে কেবল মমতার ছবিই ছিল। সাম্প্রতিক নানা ঘটনাপরম্পরায় শাসকদলের মধ্যে কৌতূহল তৈরি হয়েছিল সর্বোচ্চ নেতৃত্বের ‘সমীকরণ’ নিয়ে। মিছিলের পরে সভামঞ্চের ছবি দেখে তৃণমূলের অন্দরে ‘স্বস্তি’ই তৈরি হয়েছে।

মিছিলের ঘোষণার সময় মমতা বলেছিলেন, তিনি মিছিলের শেষে সভামঞ্চে কোনও রাজনীতিককে রাখতে চান না। যদিও মঞ্চে সর্বধর্মের প্রতিনিধিদের সঙ্গে রাজনীতিকরাও ছিলেন। মমতার এক পাশে ছিলেন ‘নবীন’ অভিষেক। অন্য পাশে ‘প্রবীণ’ সুব্রত বক্সী। মঞ্চে অভিষেক বক্তৃতাও করেছেন। যেখানে তিনি আবার টেনে এনেছেন কেন্দ্রীয় প্রকল্পে রাজ্যের মানুষের বকেয়া পারিশ্রমিকের প্রসঙ্গ। যা নিয়ে তিনি রাজ্য এবং দিল্লিতে আন্দোলন শুরু করেছিলেন।

বক্তৃতা করতে উঠে অভিষেকের রবিবারের টুইটের প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন মমতা। তিনি বলেন, ‘‘অভিষেক তো ঠিকই বলেছে! যদি লাশের পাহাড়ের উপর কোনও ধর্মীয় উপাসনালয় নির্মিত হয়, তা হলে তা গ্রহণ করতে আমার ধর্ম শেখায় না। তা সে যে ধর্মের উপাসনালয়ই হোক না কেন।’’

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *