খবর লাইভ : থানা থেকে ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে বেআইনি ভাবে বালি তোলা হলেও পুলিশের কাছে নেই সেই খবর। দামোদর থেকে বেআইনিভাবে বালি তোলার সেই তথ্য খবর লাইভে তুলে ধরা হলে হাওড়ার আমতা থানার ওসি অজয় সিং বলেছিলেন, আমরা নাকা চেকিংয়ের ব্যবস্থা করেছি। আপনাদের কাছে বেআইনি ভাবে বালি তোলার কোনও খবর গেলে আমাদের জানাবেন। যদিও তারপর থেকে বন্ধ হয়নি নদী থেকে বেআইনি বালি তোলার কাজ। হাওড়ার আমতা থানার মান্দারিয়া মোড়ের কাছে দামোদর থেকে বেআইনিভাবে বালি তোলার কাজ রমরমিয়ে চলছে। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ডাম্পারে লোড করে সেই বালি চলে যাচ্ছে হাওড়ার বিভিন্ন জায়গায়। মোটা টাকার বিনিময়ে সেই বালি বিক্রি করছে বালি মাফিয়ারা। রাতের অন্ধকারে বালি তোলা হলেও থানার কাছে অবশ্য সেই খবর নেই।
আরও পড়ুনঃ এশিয়ান কাপের পরেই ভারতীয় ফুটবলকে বিদায় জানাতে পারেন সুনীল ছেত্রী
হাওড়া গ্রামীণ পুলিশের সুপার স্বাতী বাংগালিয়া আমতা থানার ওসি-কে বেআইনি ভাবে বালি ও মাটি তোলা রুখতে কড়া পদক্ষেপ নিতে বললেও ওসি অবশ্য বাস্তবে সেই নির্দেশ আদৌ মানছেন কিনা সন্দেহ।বুধবার রাতেও মান্দারিয়া মোড় এলাকায় দামোদর থেকে বেআইনিভাবে বালি তুলে সেই বালি ডাম্পারে করে অন্যত্র পাচার হলেও পুলিশ নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে। বালি পাচারের সেই ছবি ও ভিডিও ওসি অজয় সিংকে পাঠানো হয়। তাঁকে ও আমতা থানাকে বারবার ফোন ও এসএমএস পাঠানো হয়। থানায় ফোন বেজে গেলেও কেউ ফোন ধরেননি। ওসি-র ফোনও বারবার বেজে গেলেও তিনি ফোন ধরেননি।এখানেই প্রশ্ন, তাহলে সর্ষের মধ্যেই কি ভূত?
অজয় সিংয়ের সঙ্গে সরাসরি মাটি ও বালি মাফিয়াদের তাহলে কি যোগাযোগ রয়েছে? সেই প্রশ্ন উঠছে।
রাহাবুল ও রেজাবুল নামে দুই মাফিয়ার দামোদর থেকে বেআইনি ভাবে বালি তোলার খবর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে চিঠি মারফত যায়। পুলিশকে পদক্ষেপ নিতে বলা হয় নবান্ন থেকে। কিন্তু আমতা থানার বদান্যতায় ফের রমরমা শুরু মাফিয়াদের।



