Special News Special Reports State

রাজ্যে ইডির ডিরেক্টর রাহুল নবীন, সন্দেশখালি বনগাঁ নিয়ে জরুরি বৈঠক

0
(0)

খবর লাইভ : কিছুদিন আগেই সন্দেশখালি ও বনগাঁয় ইডি আধিকারিকদের ওপর হামলার ঘটনায় এখনও সরগরম রাজ্য রাজনীতি। তারই মাঝে এবার রাজ্যে এলেন ইডির ডিরেক্টর রাহুল নবীন। মঙ্গলবারই রাজ্যে এসেছেন তিনি। আর দফতরের অফিসারদের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসার কথা রয়েছে রাহুল নবীনের। সন্দেশখালি ও বনগাঁকাণ্ডের মাঝেই রাহুল নবীনের এই রাজ্যে আসা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহালমহল।
প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার রেশন দুর্নীতির তদন্তে সন্দেশখালিতে তৃণমূল নেতা তথা উত্তর ২৪ পরগনার জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ শেখ শাহজাহানের বাড়িতে যান এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের কর্তারা। সেখানে দীর্ঘক্ষণ ডাকাডাকির পরেও কারও সাড়া পাওয়া যানি। এরপরেই তালা ভাঙাকে উদ্যত হন তাঁরা। অন্যদিকে সেই খবর পেয়েই শেখ শাহজাহানের বাড়ির কাছে ভিড় করেন তাঁর অনুগামীরা। শুরু হয় ইডি কর্তাদের সঙ্গে বচসা। অভিযোগ, তারপরেই মারমুখী হয়ে ওঠে উপস্থিত জনতা। শাহজাহানের অনুগামীদের আক্রমণে আহত হন ৩ ইডি আধিকারিক। তার মধ্যে ইডির অ্যাসিস্ট্যান্ড ডিরেক্টর রাজকুমার রাম গুরুতর আহত হন। তাঁর মাথা ফেটে গলগল করে রক্ত ঝরতে থাকে। আতক্রমণ চালানো হয় ইডির গড়িতেও। এমনকী আক্রমণকারীদের হাত থেকে বাদ যাননি কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। কোনওরকমে সেখান থেকে বেরোতে পারেন ইডির আধিকারিকরা। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ইডির আহত অফিসাররা।

অন্যদিকে ইডি আধিকারিকদের ওপরে হামলা চালানো হয় বনগাঁতেও। অভিযোগ, রেশন দুর্নীতি মামলায় এলাকার প্রাক্তন পুরপ্রধান শঙ্কর আঢ্যকে গ্রেফতারের পর বেরোনর সময়, কেন্দ্রীয় বাহিনীর গাড়ি লক্ষ্য করে ছোড়া হয় ইট। গালাগালি দেওয়া হয় হয় কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের। সূত্র মারফৎ জানা গিয়েছে, সন্দেশখালির ঘটনার কথা মাথায় রেখে লাঠি চালান কেন্দ্রীয় বাহিনী জওয়ানরা।
এই ঘটনাকে ঘিরে তোলপাড় পড়ে যায় গোটা রাজ্যজুড়ে। ঘটনার পর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে চিঠি লেখেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। চিঠির এক জায়গায় রাজ্য বিজেপির সভাপতি লেখেন, ‘আপনাকে সনির্বন্ধ অনুরোধ করছি সন্দেশখালিকাণ্ডে এনআইএ তদন্তের নির্দেশ দিন। রাজ্যে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিকঠাক রয়েছে কি না, তা জানতে এনআইএ তদন্তের প্রয়োজন।’পাশাপাশি রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সরব হন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এদিকে এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে ইডিও। তবে পুলিশ এফআইআর রুজু করেছে কি না, তাদের তা জানানো হয়নি বলেই দাবি কেন্দ্রীয় এজেন্সির। একইসঙ্গে বনগাঁয় পুলিশ ছিল না বলেও অভিযোগ করা হয়েছে ইডির পক্ষে থেকে। আর এই গোট পরিস্থিতির মাঝেই বংলায় এলেন ইডির ডিরেক্টর। সেক্ষেত্রে দেখার এদিনের বৈঠক থেকে পালটা কোনও পদক্ষেপের সিদ্ধান্ত নেয় কি না ইডি।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Tagged

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *