খবর লাইভ : সন্দেশখালির পর বনগাঁতেও প্রায় একই পরিস্থিতির মুখে পড়েছিলেন কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্তকারীরা। পুলিশ সুপারকে জানানোর পরেও কীভাবে আধিকারিকদের উপর হামলা হল, তা নিয়ে পুলিশকে বিঁধে বিবৃতি জারি করল ইডি।এমনকী, সন্দেশখালির ঘটনাতেও পুলিশি পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তারা।
একই সঙ্গে বনগাঁ পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান শঙ্কর আঢ্যের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছিল ইডি। রাতে শঙ্করকে গ্রেফতার করে বাড়ি থেকে বেরোনোর সময় ইডির আধিকারিকদের উপর চড়াও হওয়ার অভিযোগ ওঠে স্থানীয়দের একাংশের বিরুদ্ধে। দাবি, তাঁরা তৃণমূল নেতা শঙ্করেরই অনুগামী। অভিযোগ, ওই সময় ইডি ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর গাড়ি লক্ষ্য করে শুরু হয় ইটপাটকেল ছোড়া। পাল্টা জওয়ানেরাও লাঠিচার্জ করেন। এমনকি তাঁদের আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়েও তাড়া করতে দেখা যায়। পরে বনগাঁ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
আরও পড়ুনঃ রেশন দুর্নীতি মামলায় জ্যোতিপ্রিয়র হাতের লেখা পরীক্ষা করতে চায় ইডি
প্রেস বিবৃতিতে ইডি দাবি করেছে, শুক্রবার সকাল ৮টা ৪৬ মিনিটে ইমেল মারফত বনগাঁর পুলিশকে তল্লাশি অভিযানের ব্যাপারে জানানো হয়েছিল। এর পর বিকেল ৪টে নাগাদ পুলিশ সুপারের সঙ্গে ফোনেও যোগাযোগ করা হয়। ইডি আধিকারিকদের জন্য নিরাপত্তা চাওয়া হয় তাঁদের কাছে। কিন্তু তার পরেও যে জায়গায় তল্লাশি চলছিল, রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ সেখানে বড় জমায়েত হয় এবং পরে ইডি ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপর হামলার ঘটনা ঘটে।




