খবর লাইভ : প্রাথমিকে নিয়োগ মামলাায় কলকাতা হাই কোর্টে মুখবন্ধ খামে সিবিআইয়ের রিপোর্ট পেশ। বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে মঙ্গলবার রিপোর্ট পেশ করল সিবিআই।এদিন সিবিআই আদালতে জানায়, ২০২২ পর্যন্ত চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট ফার্ম হিসেবে নথিভুক্ত ছিল এস বসু রায় অ্যান্ড কোম্পানি। তারপরেই বাকি বেশ কিছু বিষয় এই কোম্পানির সঙ্গে যুক্ত হয়। এস বসু রায় অ্যান্ড কোম্পানিকে সামনে রেখেই চলছিল বেনিয়ম।রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে যে বোর্ডের কর্মীরাও যুক্ত ছিল এই বেনিয়মের সঙ্গে। কার ওএমআর, সেটা যাতে কেউ বলতে না পারে, সেভাবেই পরিকল্পনা করা হয়েছিল।
এরই পাশাপাশি রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে বেআইনিভাবে নিয়োগ সংক্রান্ত নথি নষ্ট করা হয়েছে।সিবিআইয়ের অভিযোগ,অয়ন শীলের সংস্থার মাধ্যমে ১৭টি পুরসভায় ১ হাজার ৮২৯জন নিয়োগ হয়েছে। পাশাপাশি, প্রাথমিকে নিয়োগ সংক্রান্ত মামলার তদন্ত নিয়ে রিপোর্ট দিল ইডি-ও। তাদের দাবি এই মামলায় সাড়ে ৭ কোটির ৮টি সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আগামীকাল ইডির যুগ্ম অধিকর্তাকে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি।সুজয় ভদ্রের কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের প্রশ্ন প্রসঙ্গে বিচারপতির নির্দেশ, কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ইএসআই হাসপাতালের চিকিৎসককে আদালতে উপস্থিত থাকতে হবে।
এই নিয়েগ মামলার তদন্ত শেষ করার জন্য ২০২৩ সাল পর্যন্ত ইডিকে সময় বেঁধে দিয়েছিল হাই কোর্ট। কিন্তু ইডি এদিন মুখবন্ধ খামে রিপোর্ট পেশ করে জানায়, তদন্ত চলাকালীন প্রচুর তথ্য মিলেছে। সেই কারণে তদন্ত এখনও শেষ করা যায়নি। আরেকটু সময় লাগবে। এর পরই বিচারপতি অমৃতা সিনহা ইডির জয়েন্ট ডিরেক্টরকে সশরীরে বুধবার হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।




