Special News Special Reports State

রেশন দুর্নীতির তদন্তে আরও ১ কোটি ১০ লক্ষ টাকা উদ্ধার করল ইডি

0
(0)

খবর লাইভ : রেশন দুর্নীতি কাণ্ডে বাকিবুর রহমানকে গ্রেফতারের পর থেকেই ইডি সূত্রে দাবি করা হচ্ছিল যে নগদে কোটি কোটি টাকা বেআইনি লেনদেন হয়েছে। সেই কালো টাকা সাদা করতে গিয়ে নানান পন্থা অবলম্বন করা হয়েছে।
বাকিবুর ও জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে গ্রেফতারের পর সেই সব টাকার সন্ধানে লাগাতার তল্লাশি চালাচ্ছেন ইডির গোয়েন্দারা। সূত্রের খবর, অঙ্কিত ইন্ডিয়া লিমিটেডের দফতরে থেকে ১ কোটি টাকা নগদ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে আগেই। সেই সঙ্গে তল্লাশিতে পাওয়া গিয়েছে আরও চল্লিশ লক্ষ টাকা নগদ। শনিবার ফের মন্ত্রী ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীর আটা কলে তল্লাশি চালায় ইডি। সেখান থেকে মিলেছে আরও ১ কোটি ১০ লক্ষ টাকা।
রেশন দুর্নীতির তদন্তে শনিবার ভোর থেকে টানা তল্লাশি অভিযানে নামেন ইডির গোয়েন্দারা। চাল কল, আটা কল, রেশন ব্যবসায়ী, ফড়ে—এই তল্লাশি অভিযানে কিছুই বাদ রাখা হয়নি। উত্তর ২৪ পরগনা ও নদিয়ায় একাধিক চালকল, উলুবেড়িয়ার একটি মিলে হানা দিয়েছে ইডি।
টাকার পাশাপাশি প্রচুর নথিপত্রও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ইডি সূত্রে বলা হচ্ছে, রেশন দুর্নীতির কাণ্ডে বেশ কিছু ফড়ে ও ব্যবসায়ী জড়িত। এই সূত্রেই উঠে এসেছে অঙ্কিত চান্দক ও দীপেশ চান্দক নামে দুই ব্যবসায়ীর নাম। এর মধ্যে দীপেশ চান্দককে ২০০৪ সালে বিহারে পশুখাদ্য মামলায় গ্রেফতারও করা হয়েছিল।
আদালতের মামলাপত্রেও ইডি জানিয়েছে যে রেশনে আটার বস্তা থেকে ২০ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত সরানো হত। অথচ সেই কম ওজনের বস্তার জন্যই রেশন ডিলাররা পুরো দাম দিয়ে দিতেন। আবার সেই টাকা সরকারের থেকে আদায় করা হত। এই করে বেশ কিছু হাত ঘুরে এক প্রকার একটা প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা গড়ে উঠেছিল। ইডির দাবি, ওই টাকাতেই প্রচুর সম্পত্তি করেছেন বাকিবুর রহমান। ইডির মতে, হতেই পারে বাকিবুরের নামে বেআইনি সম্পত্তি করেছিলেন মন্ত্রী। তা ছাড়া মন্ত্রীর স্ত্রী ও মেয়ের অ্যাকাউন্টেও ১০ কোটি টাকা নগদ জমা হয়েছিল। সেই নগদেরও সঠিক ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *