খবর লাইভ : ভাবতে পারেন, হাওড়া থেকে ধর্মতলা পৌঁছাতে মাত্র ৮ মিনিট। হাওড়া থেকে শিয়ালদহ ১১ মিনিট সময় লাগবে। আগামী কয়েক মাসে এই স্বল্প সময়েই হাওড়া স্টেশন থেকে যাত্রীরা পৌঁছে যাবেন কলকাতার সব ব্যস্ত জায়গায়। সৌজন্যে মেট্রো রেল। সহযোগিতায় হাওড়া মেট্রো স্টেশন। দেশের গভীরতম মেট্রো স্টেশন নির্মাণের কাজ শেষ। এখন স্টেশনের আনাচে কানাচে চলছে ফিনিশিং টাচ। জানা গেছে, আগামী চারমাসের মধ্যে সেই কাজও শেষ হয়ে যাবে।
হাওড়া মেট্রো স্টেশন থেকে যাতায়াত করতে হলে চলমান সিঁড়ির ভয় কাটাতে হবে। তা না হলে ২০০ সিঁড়ি ভেঙে ওঠানামা করতে হবে ‘গভীরতম’ স্টেশনে। ধীরে ধীরে সেজে উঠছে দেশের সবচেয়ে গভীরে তৈরি হওয়া মেট্রো স্টেশন।
আরও পড়ুনঃ অভিষেকের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নয়, নির্দেশ হাইকোর্টের
মাটির গভীরে যেতে চাইলে এ বার আসতে হবে ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো প্রকল্পে হাওড়া মেট্রো স্টেশনে। ইতিমধ্যেই হাওড়া-মেট্রো স্টেশনকে ‘দ্য ডিপেস্ট সাবওয়ে স্টেশন’-র তকমা দিয়েছে রেলওয়ে বোর্ড। এতকাল দিল্লি মেট্রোর হাউস খাস এই তকমা পেয়ে এসেছে। যার গভীরতা ৩০ মিটার। চৌরিবাজার সেক্ষেত্রে হলুদ স্টেশনের তকমা পেয়েছে ২৫ মিটার গভীরতার জন্য।
দেশে প্রথম নদীর তলা দিয়ে এই মেট্রো যাওয়ার পদক্ষেপকে ঐতিহাসিক বলে বর্ণনা করেছেন রেল মন্ত্রকের আধিকারিকরা।
মেট্রো রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কৌশিক মিত্র জানিয়েছেন, আর স্বল্প সময়ের অপেক্ষা৷ তারপরেই হাওড়া স্টেশন থেকে মানুষ মেট্রোয় যাতায়াত করতে পারবেন। এই মেট্রো পথ চালু হয়ে গেলে, সুবিধা হবে লক্ষাধিক যাত্রীর৷




