খবর লাইভ : সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে উপাচার্য নিয়োগের সার্চ কমিটির প্রতিনিধিদের তালিকা তৈরি। তাঁদের নাম সর্বোচ্চ আদালতে পেশ করা হবে। জানালেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। কারা সার্চ কমিটিতে থাকবেন? ইতিমধ্যেই তাঁদের চিহ্নিত করেছেন বলে জানিয়েছেন রাজ্যপাল। তবে তাঁর মনোনীত ব্যক্তিরা এ রাজ্যের নাকি রাজ্যের বাইরের, সে নিয়ে মুখ খুলতে চাননি তিনি।
উপাচার্য-নিয়োগ নিয়ে রাজ্যপাল-রাজ্য সরকার সংঘাতে অবশেষে হস্তক্ষেপ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। গত সপ্তাহে নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নেয় সর্বোচ্চ আদালত।স্থায়ী উপাচার্য নিয়োগে এবার সার্চ কমিটি তৈরি করে দেবে খোদ সুপ্রিম কোর্ট। তিন পক্ষই থাকবে তাতে রাজ্য সরকার, আচার্য এবং UGC।১০ দিনের মধ্যে সব পক্ষকে ৩ থেকে ৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তির নাম পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে বিচারপতি সূর্যকান্ত ও বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তর বেঞ্চ।
শুক্রবার, সুপ্রিম কোর্ট কার্যত স্পষ্ট করে বুঝিয়ে দেয়, এই সংঘাত শেষ হওয়া উচিত। প্রতিষ্ঠানের স্বার্থ এবং শিক্ষার মানকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।বিশিষ্ট ব্য়ক্তিকে স্থায়ী উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ করতে হবে। যাতে প্রতিষ্ঠানের গৌরব বৃদ্ধি পায়। যাতে প্রতিষ্ঠানগুলো সঠিকভাবে কাজ করতে পারে।রাজ্য সরকার ও আচার্যের উচিত একসঙ্গে কাজ করা। তাতে নিয়োগকারীদের মর্যাদাও বাড়বে।
আরও পড়ুনঃ অপহৃত বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদেশী ছাত্র! শুরু পুলিশি তদন্ত
সুপ্রিম কোর্ট এদিন আরও বলে, শেষবারের শুনানিতে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে রাজ্য সরকার ও আচার্যকে একসঙ্গে বসে সিদ্ধান্ত নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তখন রাজ্য সরকারের আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি বলেন, বৈঠকে বসার জন্য রাজ্য সরকারের তরফে আচার্যকে ৩টে চিঠি দেওয়া হয়। কিন্তু কোনও উত্তর আসেনি। সার্চ কমিটি গঠনের জন্য প্রতিনিধির নাম চেয়ে, UGC-কেও চিঠি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তাদের থেকেও কোনও সাড়া আসেনি।
আচার্যের আইনজীবীর উদ্দেশে বিচারপতি বলেন, বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে একটি নিরপেক্ষ প্যানেল তৈরি করা হোক। যেখানে রাজ্য সরকার বা আচার্যর কোনও ভূমিকা থাকবে না।রাজ্য সরকারের আইনজীবী তখন বলেন, সার্চ কমিটিতে অবশ্যই রাজ্য সরকারের একটা ভূমিকা থাকে। কারণ বিশ্ববিদ্য়ালয়গুলি রাজ্যেরই।
এরপরই বিচারপতিরা জানান, সুপ্রিম কোর্টই সার্চ কমিটি তৈরি করে দেবে। ২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে রাজ্য সরকার, আচার্য এবং ইউজিসি-কে, ৩-৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তির নাম পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। ২৭ সেপ্টেম্বর মামলার পরবর্তী শুনানি।




