National Special News Special Reports

বেনজির, ৫০ বছরের ব্যবধানে প্রিয়র পর দীপা কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটিতে!

0
(0)

খবর লাইভ : সালটা ছিল ১৯৭২। কলকাতায় কংগ্রেসের অধিবেশনে ওয়ার্কিং কমিটির নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছিলেন প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সি। সেদিন প্রয়াত প্রণব মুখোপাধ্যায়কে পরাস্ত করেছিলেন তরুণ প্রিয়রঞ্জন।সেই ঘটনার ৫১ বছর পর কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটিতে সদস্য হলেন প্রয়াত প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সির স্ত্রী দীপা দাশমুন্সি। সর্বভারতীয় কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদকও হলেন দীপা।কংগ্রেসের দেড়শ বছরের ইতিহাসে এ ঘটনা এক প্রকার বিরলতম।

গান্ধী পরিবারে এ ঘটনা ঘটেছে। রাজীব গান্ধী কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির সদস্য ছিলেন। তাঁর মৃত্যুর পর সোনিয়া গান্ধী কংগ্রেসের সভানেত্রী হয়েছেন। কিন্তু গান্ধী পরিবারের বাইরে অন্য কোনও পরিবার থেকে স্বামী ও স্ত্রী দু’জনেই কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির সদস্য হয়েছেন এমন নজির বিরল। শুধু তাই নয়, বাংলা থেকে দীপা দ্বিতীয় কোনও মহিলা নেত্রী যিনি কংগ্রেসের সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারক কমিটির সদস্য হলেন।

আরও পড়ুনঃ বিদেশে চোখের চিকিৎসা করে ২৫ দিন পর কলকাতা ফিরলেন অভিষেক

রবিবার সর্বভারতীয় কংগ্রেস নতুন ওয়ার্কিং কমিটি ঘোষণা হয়েছে। তেলঙ্গনায় বিধানসভা ভোট আসন্ন। তার আগে দীপাকে সিনিয়র অবজার্ভার করে সেখানে পাঠিয়েছেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে। দীপা বলেছেন, “প্রিয়দার কথা বড় মনে পড়ছে। যুব কংগ্রেসের সভাপতি থাকাকালীন প্রিয়বাবু ওয়ার্কিং কমিটির সদস্য হয়েছিলেন। তার পর তিনি আর ওয়ার্কিং কমিটির সদস্য হতে পারেননি। কারণ, প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি হয়েছিলেন তিনি। তা ছাড়া পরে কেন্দ্রে মন্ত্রী হয়েছিলেন। কিন্তু ওয়ার্কিং কমিটিতে ফের সদস্য হতে না পারা নিয়ে ওঁর আক্ষেপ ছিল। মনে হচ্ছে ওঁর ইচ্ছা আমি পূরণ করলাম।”
প্রিয়রঞ্জন অসুস্থ হওয়ায় ২০০৯ সালের লোকসভা ভোটে রায়গঞ্জে প্রার্থী হন দীপা। জিতেও যান তিনি। জাতীয় রাজনীতিতে সেই তাঁর হাতেখড়ি। প্রিয়রঞ্জন তাঁর ইনিংস শুরু করেছিলেন ছাত্র রাজনীতিতে থেকে। দীপা বরং অভিনয় জীবনের পর মাঝবয়সে এসে রাজনীতিতে নামেন। সেই তুলনায় জাতীয় রাজনীতিতে তাঁর অগ্রগতি চোখে পড়ার মতই।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *