খবর লাইভ : শিক্ষাক্ষেত্রে তো বেলাগাম দুর্নীতি তো হয়েছেই, সেই সূত্রে এবার নাম জড়াল মৎস্য দফতরের। সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, মৎস্য দফতরেও বেআইনিভাবে নিয়োগ হয়েছে। কীভাবে এর সন্ধান পেল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা এজেন্সি? গোপালচন্দ্র দাস নামের এক এজেন্টের বয়ান থেকে ফিসারি ডিপার্টমেন্টে নিয়োগে দুর্নীতি হয়েছে বলে দাবি করেছে সিবিআই। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে গ্রেফতার এজেন্ট নীলাদ্রি ঘোষের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল গোপালের। এই নীলাদ্রি ঘোষের সন্ধান মেলে মানিক ভট্টাচার্য ঘনিষ্ঠ তাপস মণ্ডলের সূত্র ধরে। মানিক, তাপস, নীলাদ্রি-এই তিন জনই গ্রেফতার হয়েছেন। এবার এজেন্ট গোপালচন্দ্র দাসকে জেরা করে চাঞ্চল্যকর তথ্য হাতে পেল সিবিআই।
আরও পড়ুনঃ নতুন বিতর্কে রাহুল, মহিলা সাংসদদের লক্ষ্য করে ‘ফ্লাইং কিস’ ছোঁড়ার অভিযোগ
গোপাল জানিয়েছেন, তিনি চাকরিপ্রার্থীদের থেকে টাকা তুলে সেই টাকা দিতেন নীলাদ্রি ঘোষকে। মোট ৩৭ জনের কাছ থেকে গোপাল কমবেশি এক কোটি ২০ লক্ষ টাকা তুলেছিলেন বলে তিনি জানিয়েছেন। সেখানেই কিছু প্রার্থীকে এসএসসি গ্রুপ-সি-তে ভুয়ো নিয়োগপত্র দেওয়া হয় এবং কাউকে কাউকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয় মৎস্য দফতরের। সেটাও ছিল ভুয়ো নিয়োগপত্র।
গোপাল তাঁর বয়ানে আরও জানিয়েছেন, মৎস্য দফতরে যাঁদের নিয়োগ হয়েছিল, তাঁরা নাকি মাত্র ১০ মাস চাকরি করেছিলেন। তারপর তাঁদের চাকরি চলেও যায়। অনেককে প্রথমে এসএসসি-তে নিয়োগ করা হবে বলেও পরে মৎস্য দফতরে চাকরি দেওয়া হয়।এবার মৎস্য দফতরে নিয়োগ দুর্নীতির তথ্য সামনে এল। এখন, তদন্ত কোন পথে এগোয় এবং আবারও নতুন কী কী তথ্য উঠে আসে সেটাই এখন দেখার।



