খবর লাইভ : সুদূর সৌদি আরবে বসে কীভাবে পঞ্চায়েত নির্বাচনে মনোনয়ন সম্ভব? তা নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে গড়িয়েছিল মামলা। মামলাটি গড়ায় কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে। শুক্রবার সেই মামলায় কমিশনকে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দিল বিচারপতি সিনহার একক বেঞ্চ। এদিন হাইকোর্ট প্রশ্ন তোলে কোন প্রক্রিয়ায় মনোনয়ন জমা নেওয়া হয়েছিল, সেখানে কারা সই করেছেন সেই সব বিষয়গুলি রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী ২৮ জুনের মধ্যে রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে আদালতে সেই রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার মামলার শুনানি চলাকালীন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা রাজ্য নির্বাচন কমিশনের কাছে জানতে চান, কোনও প্রার্থীর মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময়ে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীকে সেখানে উপস্থিত থাকতে হয় কি না। কারণ, ভোটের বিজ্ঞপ্তি জারি হয়েছে ৯ জুন। আর ওই ব্যক্তি চলে গিয়েছেন ৪ জুন। এরপরই আদালতের প্রশ্ন তাহলে কী তিনি হজে যাওয়ার আগেই মনোনয়নপত্রে সই করে গিয়েছিলেন? আর এই প্রশ্নের উত্তরে কমিশনের তরফে জানানো হয়, মিনাখাঁর ওই প্রার্থী সম্ভবত আগেই সই করে গিয়েছেন।
জানা গিয়েছে, উত্তর ২৪ পরগনার মিনাখাঁর কুমারজলিতে পঞ্চায়েত ভোটে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন মহরুদ্দিন গাজি নামে এক ব্যক্তি। তৃণমূলের টিকিটে প্রার্থী হয়েছেন তিনি। আর তাঁর প্রার্থী পদ ঘিরেই উঠতে শুরু করছে বিস্তর প্রশ্ন। এরপরই বিরোধীরা প্রশ্ন তুলতে শুরু করেন, ওই ব্যক্তি ৪ জুন হজের জন্য সৌদি আরবে গিয়েছেন। তাহলে কীভাবে তিনি মনোনয়ন জমা দিলেন? সৌদি আরবে বসে একজন কীভাবে ভোটের মনোনয়ন জমা দিলেন তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করা হয়েছিল। মামলাকারীর দাবি, ওই ব্যক্তির দ্রুত মনোনয়ন বাতিল করা হোক এবং সম্পূর্ণ বিষয়টি কোনও স্বাধীন সংস্থাকে দিয়ে তদন্ত করানো হোক।




