খবর লাইভ : যে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের জন্য এতদিন ধরে অপেক্ষা করে বসেছিল ম্যাঞ্চেস্টার সিটি, তা অবশেষে তাদের দখলে। শুধু তাই নয় ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় ক্লাব হিসেবে ত্রিমুকুট জিতল পেপ গুয়ার্দিওলার দল।
ফাইনালের আগে তো মনে হয়েছিল, গার্দিওলার দল ম্যানচেস্টার সিটি বুঝি উড়িয়েই দেবে প্রতিপক্ষ ইন্টার মিলানকে। আসলে সে রকম কিছু হলো না। ইন্টার লড়েছে সমানে সমানে। রোমেলু লুকাকু মিস না করলে এই ম্যাচের ফল অন্য রকম হতেও পারত।
শেষ পর্যন্ত সিটি জিতল মাত্র ১-০ গোলে। ম্যাচের ৬৮ মিনিটে যে গোলটা করেছেন সিটির স্প্যানিশ মিডফিল্ডার রদ্রি। গার্দিওলা অবশ্য ব্যবধান নিয়ে খুব একটা ভাবছেন না। তাঁর আত্মবিশ্বাস ছিল দল জিতবে এবং শেষ পর্যন্ত যে জিতেছে, তাতেই তিনি খুশি। ফাইনাল যেমনই খেলুক সিটি, এই মরসুমের চ্যাম্পিয়ন তাঁর দলেরই প্রাপ্য, এমনটাই মনে করেন গার্দিওলা।
ম্যাঞ্চেস্টার সিটির কোচ পেপ গুয়ার্দিওলা দল সাজিয়েছিলেন ৩-৪-২-১ ছকে। অন্যদিকে ইন্টার মিলানের কোচ সিমোনে ইনজাঘি রক্ষণ শক্তিশালী করার দিকে জোর দিয়েছিলেন। তাই তিনি ডিফেন্সে তিন জন রেখে মাঝমাঠেও পাঁচজনকে রেখে দিয়েছিলেন।
প্রথমার্ধে সিটির যে আগ্রাসন দেখে ফুটবল দুনিয়া অভ্যস্ত, তা এ দিন দেখা যায়নি। বরং নিজেদের কিছুটা খোলসের মধ্যে ঢুকিয়ে রাখল তারা। শুধুমাত্র বল নিয়ন্ত্রণে ছিল। কিন্তু কাজের কাজ কিছু হয়নি।
উল্টে সিটির ফুটবলাররা অকারণেই নিজেদের চাপে ফেলে দেন। ২৫ মিনিটের মাথায় সিটির গোলকিপার এডারসন সতীর্থকে পাস দিতে গিয়ে বল তুলে দেন ইন্টারের নিকোলো বারেলার পায়ে। চলতি বলে বারেলার নেওয়া শট গোলের অনেক দূর দিয়ে বেরিয়ে যায় ঠিকই।
সিটি ধাক্কা খায় ৩৫ মিনিটে। পেশির চোটে মাঠ ছেড়ে বেরিয়ে যান দি ব্রুইন। দু’মিনিট আগেই খোঁড়াতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। মাঝে মাঠে চিকিৎসকেরা এসে পরীক্ষা করে যান। কিন্তু দি ব্রুইন আর দৌড়তেই পারছিলেন না। বাধ্য হয়ে তাঁকে তুলে নেন গুয়ার্দিওলা। নামেন ফিল ফোডেন।
দ্বিতীয়ার্ধে গোলের জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছিল সিটি। কিন্তু ইন্টার টেক্কা দিচ্ছিল মাঝে মাঝেই। সিটির গোলমুখে উঠে যাচ্ছিল তারা। কিন্তু সঠিক ফিনিশারের অভাব ভোগাচ্ছিল বারবার। এর মধ্যেই ৬৮ মিনিটের মাথায় গোল পেয়ে যায় সিটি। মাঝমাঠে আকাঞ্জির পাস পেয়ে যান বার্নারদো সিলভা। তাঁর শট প্রতিহত হলে ফিরতি বলে ঠান্ডা মাথায় নিখুঁত প্লেসিংয়ে গোল করেন রদ্রিগো। শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে গেল সমতা ফেরাতে পারেনি ইন্টার।




