খবর লাইভ : ওষুধের দাম হঠাৎ বেড়ে গেলে বিপাকে পড়তে হয় সাধারণ মানুষকে। প্রতি বছরই ওষুধের দাম নিয়ে পর্যালোচনা করে এনপিপিএ। প্রয়োজন মতো ওষুধের দাম বেধেও দেয় তারা। এ বারও সেটাই করা হয়েছে।
এ বার তাই ওই দু’টি রোগ-সহ ব্যথা, অ্যান্টি-অ্যালার্জিক ও মাল্টিভিটামিন মিলিয়ে মোট ২৩টি ওষুধের সর্বোচ্চ দাম বেঁধে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল ‘ন্যাশনাল ফার্মাসিউটিক্যাল প্রাইসিং অথরিটি’ (এনপিপিএ)।
আরও পড়ুনঃ শুভমনের আউট ঘিরে বিতর্ক, ক্ষুব্ধ ভারতীয় শিবির
ওষুধ সংস্থাগুলি সূত্রে জানা গিয়েছে, গত মে মাসে এনপিপিএ-র বার্ষিক সভাতেই সিদ্ধান্ত হয়, ওই ২৩টি ওষুধের দাম নিয়ন্ত্রণ করা হবে। সেই মতো গেজেট নোটিফিকেশন প্রকাশ করেছে এনপিপিএ।
প্রতিটি ওষুধের ক্ষেত্রেই একটি ট্যাবলেট কিংবা এক মিলিলিটার পরিমাণের সর্বোচ্চ দাম বেধে দেওয়া হয়েছে। যেমন, গ্লিক্লাজাইড ইআর এবং মেটফর্মিন হাইড্রোক্লোরাইড, অর্থাৎ ডায়াবিটিসের ট্যাবলেটের দাম ১০ টাকা ৩ পয়সা, ব্যথার ওষুধ ট্রিপসিন, ব্রোমেলেন, রুটোসাইড ট্রাইহাইড্রেট এবং ডিক্লোফেনাক সোডিয়াম ট্যাবলেটের দাম ২০ টাকা ৫১ পয়সা, উচ্চ রক্তচাপের জন্য ক্লোরথালিডন, সিলনিডিপিনের একটি ট্যাবলেটের দাম ১৩ টাকা ১৭ পয়সা, বিলাসটাইন অ্যান্ড মন্টেলুকাস্ট ওরাল সাসপেনশনের এক মিলিলিটারের দাম ১ টাকা ৭১ পয়সা করা হয়েছে। ‘ইন্ডিয়ান ফার্মাসিউটিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন’ (আইপিএ)-এর পশ্চিমবঙ্গ শাখার সভাপতি প্রবীর বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘এই সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানাচ্ছি। অত্যন্ত আবশ্যিক ওষুধের দাম যাতে আমজনতার নাগালের মধ্যে থাকে, সেটা বার বারই আমরা বলি। এ বার সে দিকেও নজর দেওয়ায় খুবই ভাল হল।’’




