খবর লাইভ : গ্রেফতার সুজয় কৃষ্ণ ভদ্র ওরফে ‘কালীঘাটের কাকু’ । নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে তাঁর গ্রেফতারির পর থেকেই সুর চড়িয়েছে বিরোধী দলের নেতারা। কড়া ভাষায় আক্রমণ শাণিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। এরপর তীক্ষ্ণ মন্তব্য করেছেন বিজেপির সর্ব ভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি বুধবার সকালে বলেন, ‘কাকু হল। জেঠু হল। এবার হয়তো পিসির সময় আসছে। ভাইপোও আছে। কান টানাটানি শেষ। এবার হয়তো মাথা আসবে।’ মন্তব্য বিজেপির সর্ব ভারতীয় সহ সভাপতির।
বুধবার সকালে নিউটাউন ইকো পার্কে প্রাতঃভ্রমনে আসেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি তথা সাংসদ দিলীপ ঘোষ। তিনি আরও বলেন, ‘ পার্থ মন্ত্রী ছিলেন। নিজের মতো একটা চ্যানেল তৈরি করেছিলেন। সেখানে কিছু লোক ছিল। কিন্তু এখন যারা ধরা পড়ছে, তারা হচ্ছে ডাইরেক্ট পার্টির লোক। পার্থর সঙ্গে দলের তেমন সম্পর্ক ছিল না। লেনদেন হলে সেটা আলাদা ব্যাপার। বাকি যারা ধরা পরেছে, তারাই আসল কিং পিন। এরা হ্যান্ডলার। এরাই লোক টেনে আনত। এরাই টাকা তুলত। টাকা বিনিয়োগ করত। টাকা পৌছে দিত। তথ্য খোঁজা হচ্ছিল। সেই তথ্য সিবিআই ইডির হাতে এসেছে। আমার মনে হয় এবার রাস্তা পুরোপুরি খুলে যাবে।
এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী লেখেন, ‘ আইনের লম্বা হাত শেষ পর্যন্ত মাথা এবং সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগীদের দিকে এগোচ্ছে। ‘ বিরোধী দলনেতা লেখেন, ‘কেউ ছাড় পাবে না। সবচেয়ে বড় দাম্ভিক জেলে যাবে। আর বেশি দেরি নেই।’ এবিপি আনন্দকে তাঁর প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘হৃদয়ের কাছাকাছি পৌঁছে গেল তদন্ত। তদন্তকারী সংস্থার উচিত হৃদয় পর্যন্ত গিয়ে থেমে না থেকে মাথা পর্যন্ত পৌঁছনো। যিনি গ্রেফতার হয়েছেন, তিনি লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের সিইও। এই সংস্থায় তো মুখ্যমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ আত্মীয়রাও রয়েছেন। এ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে সাফাই দিতে হবে’
এবিপি আনন্দকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় দাবি করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
তিনি বলেন, ‘ সেই কোম্পানির নাম অনেক আগেই এসেছে। নামেই কোম্পানি। টাকার লেনদেন হত। সেখানে যারা কর্মী, তারাই হ্যান্ডলার। সেই প্রমাণ গুলো একে একে সামনে আসছে। অনেক দিন ধরে খেলিয়ে এবার মাছ তুলছে সিবিআই। ‘




