খবর লাইভ : লোকসভা নির্বাচনের আগে পায়ের তলায় মাটি নেই তা মালুম হচ্ছে পদ্ম শিবিরের। কর্নাটকের বিধানসভা নির্বাচন ও তার সঙ্গে হওয়া বিভিন্ন রাজ্যের উপনির্বাচনের ফলেই তা স্পষ্ট। বিজেপি-বিরোধী জোটের ঘোষণাও হতে পারে যে কোনও সময়। এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে জনমোহিনী পরিকল্পনা ঘোষণায় তৎপর বিজেরি। অসম থেকে বহু বিতর্কিত ‘আফস্পা’ তুলে নেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছেন সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা।
অসমের দেরগাঁও পুলিশ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে কমান্ডান্টদের সম্মেলনে সোমবার উপস্থিত ছিলেন হিমন্ত বিশ্বশর্মা। সেখানেই তিনি বলেন, অসমের আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার উন্নতি হয়েছে। ফলে এবছরের মধ্যেই সম্পূর্ণভাবে রাজ্য থেকে ‘আফস্পা’ তুলে নেওয়া হতে পারে। সেনাবাহিনীর বিশেষ ক্ষমতা আইন প্রত্যাহার হলে অসম পুলিশ দায়িত্ব সামলাবে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর জায়গায় আসবে রাজ্য পুলিশের ব্যাটালিয়ন। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, অসমের সব জায়গা থেকে নভেম্বরের মধ্যেই আফস্পা প্রত্যাহার করে নেওয়া হতে পারে। এক্ষেত্রে প্রাক্তন সেনা আধিকারিকদের দিয়ে অসম পুলিশ ফোর্সের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে বলে জানান হিমন্ত।
উত্তর-পূর্ব ভারতের জন্য আফস্পা অত্যন্ত স্পর্শকাতর বিষয়। সেনাবাহিনীর বিশেষ ক্ষমতা আইন প্রত্যাহরের দাবিতে মণিপুরে ইরম শর্মিলা চানু-র অনশন- আন্দোলন ইতিহাসের পাতায় জায়গা করে নিয়েছে। এই আইন নিয়ে নাগাল্যান্ডেও আন্দোলন হয়েছে। সারা ভারতে গোবলয়ে কয়েকটা রাজ্য বাদে একমাত্র উত্তর-পূর্বভারতেই বিজেপি ক্ষমতায় আছে। অসম-ত্রিপুরায় একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে রয়েছে গেরুয়া শিবির। এই পরিস্থিতি ২০২৪-এর আগে সেই রাজ্যগুলিকেই ভোটে প্রচারে উদাহরণ করতে চায় বিজেপি নেতৃত্ব। সেই কারণেই এই ঘোষণা বলে মত বিরোধীদের।




