খবর লাইভ : গৃহীত হল না শরদ পাওয়ারের ইস্তফা । পদত্যাগের কথা ঘোষণার পর শুক্রবার প্রথম এনসিপি-র কোর কমিটির বৈঠক বসে। আর সেখানেই সর্বসম্মতিক্রমে চূড়ান্ত হয় শরদ পাওয়ারের পদত্যাগের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে না। শীর্ষ নেতৃত্বের এই বক্তব্য স্পষ্ট জানিয়েও দেওয়া হয়েছে ইতিমধ্যেই। তবে কি এনসিপি প্রধানের দায়িত্বেই থাকছেন পাওয়ার?
মাত্র দু’দিন আগেই দেশজুড়ে আলোড়নে ফেল বড় ঘোষণা করেছিলেন শরদ পাওয়ার।এনসিপি প্রধান পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন তিনি। বর্ষীয়াণ রাজনীতিবিদের এ হেন সিদ্ধান্ত চমকে গিয়েছে গোটা দেশ। আবেগনঘন হয়ে পড়েন তাঁর দলের কর্মীবৃন্দ। রক্ত দিয়ে চিঠি লিখে দলীয় প্রধানকে পদ না ছাড়ার আর্জি জানান এক কর্মী। রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হতেই বৈঠকে বসে এনসিপি নেতৃত্ব। শুক্রবার মুম্বইয়ে এনসিপি-র কোর কমিটির বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত হয়, শরদ পাওয়ারের ইস্তফাপত্র গৃহীত হবে না। তাঁকে ফের একবার সিদ্ধান্ত নিয়ে চিন্তাভাবনা করার আর্জি জানানো হচ্ছে। তবে ইস্তফাপত্র গৃহীত না হলে আপাতত এনসিপি প্রধান পদেই থাকবেন পাওয়ার, এমনটাই অনুমান রাজনৈতিক কারবারিদের।
এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন শরদ পাওয়ারের কন্যা সুপ্রিয়া সুলে এবং ভাইপো অজিত পাওয়ার। ৮১ বছরের এই রাজনীতিবিদের সরে যাওয়ার পর তাঁর জায়গায় কে বসবেন, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই সরগরম রাজনীতি। সে ক্ষেত্রে এই দু’জনকেই পোক্ত দাবিদার হিসেবে ধরে নেওয়া হচ্ছে।
এ ছাড়াও এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন এনসিপি-র অন্যতম শীর্ষনেতা প্রফুল প্যাটেলও। তিনি বলেন, “আজকের বৈঠকে কোর কমিটি সর্বসম্মতিক্রমে একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দল চায় শরদ পাওয়ারজি তাঁর পদে বহাল থাকুন। আমরা সকলেই তাঁর এই সিদ্ধান্ত মেনে নিতে রাজি নই। দল চায় এনসিপি প্রেসিডেন্ট পদে থাকুন শরদ পাওয়ারই। লাখ লাখ মানুষের আবেগকে মান্যতা দিয়ে তিনি ফের একবার তাঁর সিদ্ধান্ত বিবেচনা করুক।” ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টির প্রেসিডেন্ট পদ থেকে শরদ পাওয়ার সরে দাঁড়াতেই একাধিক জল্পনা শুরু হয়। আত্মজীবনী ‘লোক মাজে সাঙ্গাতী’ (মানুষই আমার বন্ধু) প্রকাশ অনুষ্ঠানে তিনি এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেন। এই বিস্ফোরক ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই কান্নায় ভেঙে পড়েন এনসিপি সমর্থকরা।




