খবর লাইভ : একদিকে যখন রাজ্যে সিবিআই-ইডি অতিসক্রিয় হয়ে উঠেছে তখন শুভেন্দুর ডিসেম্বর-হুঁশিয়ারি নিয়ে স্বাভাবিক কৌতূহলও তৈরি হয়েছিল। এমনকি কেউ কেউ ভাবছিলেন, এবারেই বুঝি উল্টে দেওয়ার চেষ্টা হবে!
হাজরা মোড়ে সভা করে সেই ডেটলাইন থেকে নিজেই সরে গেলেন বিরোধী দলনেতা। বরং ব্যাখ্যা দেওয়ার চেষ্টা করলেন, বিজেপি অগণতান্ত্রিক নয়। ষোলোআনা গণতান্ত্রিক। ভেঙেচুরে সরকার গঠনের পথে বিজেপি হাঁটবে না। তাঁর কথায়, “আমি গিমিকে বিশ্বাস করি না। আমি বলিনি ওদের ৭০ জন বিধায়ককে নিয়ে সরকার ফেলে দেব। আমাদের দল তা চায় না। আমরাও চাই না ওদের চোর, জেহাদি বিধায়কদের নিয়ে সরকার গড়তে।
ডিসেম্বর ডেটলাইন থেকে সরলেও আশা জাগিয়ে রাখার চেষ্টা করে গিয়েছেন তিনি। বিরোধী দলনেতা বলেন, “১২ ডিসেম্বর কেন বলেছিলাম, তার কারণ ছিল। আজ ছিল কয়লা মামলার শুনানি। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টে সেই তারিখ পিছিয়ে গিয়েছে। তা নির্ধারিত হয়েছে আগামী ১৩ জানুয়ারি”।
আরও পড়ুনঃ এফআইআর নিয়ে শুভেন্দুর রক্ষাকবচকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে মামলা
শুভেন্দু এদিনের সভা থেকে বলেন, ১২ ডিসেম্বরটা ১৩ জানুয়ারি হতে পারে। বড় ডাকাত, ধেড়ে ইঁদুর জেলে যাবেই। আমি বিরোধী দলনেতা দায়িত্ব নিয়ে বলে গেলাম।
শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “আজ একসঙ্গে মেঘালয়ে গিয়েছেন। কয়েকদিন আগে আমার বাড়ির ওখানে সভা করতে গেছিলেন। অনেক কথা তিনি বলেছেন। আমাকে বলেছিল আমি নাকি লেজ গুটিয়ে পালিয়েছি। দক্ষিণ কলকাতায় আমাদের একটাও কাউন্সিলর নেই। একটাও বিধায়ক নেই। পুজো কমিটিতেও বিজেপির লোকেদের ঢুকতে দেয় না। ভয় আপনারা পেয়েছেন। তার কারণ পশ্চিমবঙ্গে আপনারা মিথ্যা কথা বলে ক্ষমতায় এসেছেন। ক্ষমতায় রয়েছেন শুধুমাত্র পুলিশের উপর নির্ভর করে।”




