খবর লাইভ : আজ ভোট গুজরাটে। প্রথম দফায় মোট ৮৯টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হবে। ১৬২১ জন প্রার্থীর ভাগ্যপরীক্ষা হবে মোদি-শাহের রাজ্যে। তার মধ্যে প্রথম দফায় ৭৮৮ জনের ভাগ্যপরীক্ষা হতে চলেছে বৃহস্পতিবার। এর মধ্যে ৭০ জন মহিলা ও ৩৩৯ জন নির্দল প্রার্থী। ১৮২টি আসনের গুজরাত বিধানসভার বাকি ৯৩টি আসনের ভোটগ্রহণ হবে আগামী ৫ ডিসেম্বর। সেদিন ৮৩৩ জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামতে চলেছেন। তার মধ্যে ৬৯ জন মহিলা ও ২৮৫ জন নির্দল প্রার্থী রয়েছেন। গুজরাত ও হিমাচল প্রদেশের ভোটের ফলাফল জানা যাবে ৮ ডিসেম্বর।
গুজরাট কয়েক দশক ধরে শাসন চালাচ্ছে বিজেপি । এবার জিতলে কংগ্রেস প্রায় ধুয়েমুছে যাবে গুজরাতে। কারণ, বিজেপি-বিরোধিতার নামে আসরে রয়েছে কালো ঘোড়া অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টি । যা পদ্ম-নৌকার পালে হাওয়া জোগাবে বলেই অনেকে মনে করছেন। কেজরিওয়াল অবশ্য দাবি করেছেন, তাঁর মহাযুদ্ধের তিন রথের ঘোড়া আপ সভাপতি গোপাল ইটালিয়া বিরাট ব্যবধানে জিতবেন। দলের মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী ইসুধান গাডভিও বিরাট মার্জিনে জিতবেন বলে দাবি কেজরির। প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালে প্রথম গুজরাতে ভোটে লড়ে ৩০টি কেন্দ্রে প্রার্থী দিয়েছিল আপ। সেবার সাকুল্যে ২৮ হাজারের কিছু বেশি ভোট পেয়েছিল তারা। তবে পুরসভা ভোটে আপ ১৩.২৮ শতাংশ ভোট পকেটে পুরেছিল।
গুজরাটের একটি রাজনৈতিক পরামর্শদাতা সংস্থার মতে, আপ তিন ধরনের ভোটারের উপর আস্থা রাখতে চলেছে। প্রথমত, হঠাৎ করে মনবদলু ভোটার, দ্বিতীয়ত বিজেপি-বিক্ষুব্ধ ও তৃতীয়ত কংগ্রেসের একের পর এক ব্যর্থতায় যারা হাত চিহ্নের উপর বেজায় চটে রয়েছে। গুজরাটর ভোটের আরও একটি বিশেষত্ব হল, শহুরে ও গ্রামীণ এলাকার ফারাক। ১৮২টি আসনের মধ্যে ৯৮টি আসন গ্রামীণ এবং ৮৪টি হল শহরাঞ্চল। আগের ভোটে শহরে বিজেপি বিরাট সাফল্য ঘরে তুলেছিল। কিন্তু গ্রামে বেশ খারাপ ফল করেছিল।
২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের আগে গুজরাট-হিমাচল প্রদেশ ছাড়াও পরের বছর আরও বেশ কয়েকটি রাজ্যে নির্বাচন রয়েছে। তবে তার মধ্যে গুজরাটর ভোট রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। এরমধ্যই রয়েছে দিল্লি পুরসভারও ভোট। অর্থাৎ একদিকে গুজরাত ও হিমাচল এবং অন্যদিকে দিল্লির ভোটের ফলের উপর ইঙ্গিত মিলবে ২০২৪-এ কী হতে চলেছে!




