খবর লাইভ : দেশবাসীকে স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন চাওয়ালা। সে স্বপ্ন ছিল ‘আচ্ছে দিন’-এর। স্বপ্ন ছিল প্রত্যেক ভারতীয় নাগরিকদের অ্যাকাউন্টে ১৫ লক্ষ টাকা করে পৌঁছে যাওয়ার। স্বপ্ন ছিল প্রতি বছর দেশে ২ কোটি চাকরি তৈরি হবে। দেশবাসীও সেই স্বপ্নে বুঁদ হয়েছিল। কিন্তু কী পেল? নোটবন্দি, লকডাউন, জিএসটি, চূড়ান্ত বেকারত্ব, ১০০ টাকার পেট্রোল-ডিজেল, একের পর এক রাষ্ট্রায়ত্ত্ব সংস্থার বিক্রি, ১০০০ টাকার এলপিজি সিলিন্ডার, ভর্তুকিহীন-ছাড়হীন ট্রেনযাত্রা।
আরও পড়ুনঃ কোভিড সংক্রমণ বাড়ায় রেলযাত্রায় ফের কড়া বিধি নিষেধের কথা ভাবছে রেল
দক্ষিণ ভারতের হায়দরাবাদ(Hyderabad) এখন দেশের অন্যতম বৃহৎ মহানগর এবং তেলেঙ্গানার রাজধানী। সেখানেই বসেছিল বিজেপির ২দিনের জাতীয় কর্মসিমিতির বৈঠক। রবিবার সেই বৈঠকেই ফের বাংলার পদ্মপার্টির কর্মী থেকে নেতা মায় সমর্থকদের শাহী স্বপ্ন দেখিয়েছেন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ(Amit Shah)। বলেছেন, ‘বিজেপি খুব তাড়াতাড়ি তেলেঙ্গানা ও পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতা দখল করবে। কংগ্রেস পারিবারিক দল হয়ে গিয়েছে। পরিবারের হাত থেকে ক্ষমতা চলে যাওয়ার ভয়ে সভাপতি নির্বাচনই করছে না। তেলেঙ্গানা ও পশ্চিমবঙ্গের পারিবারিক শাসনকে হারাবে বিজেপি। দেশের বিভিন্ন জায়গায় আঞ্চলিকবাদ, পরিবারবাদ এবং তোষণবাদ চলছে। এই পরিস্থিতির বদল এনে বিজেপি চায় উন্নয়নের রাজনীতি, কাজ করার রাজনীতি। কেরল, অন্ধ্রপ্রদেশ এবং ওড়িশাতেও ক্ষমতা দখল করবে বিজেপি।’এই শাহী খোয়াবে এদিন গা ভাসিয়েছেন বাংলার পদ্মশিবিরের নেতারা।
তৃণমূলের(TMC) তরফে অবশ্য শাহী স্বপ্নকে বেশ নবাবী আমেজেই কটাক্ষ হানা হয়েছে। তৃণমূলের মুখপাত্র জানিয়েছেন, ‘পরিবারতন্ত্রের কথা বিজেপি কী করে বলছে? অধিকারী প্রাইভেট লিমিটেডের সাইনবোর্ড তো বিজেপির দেওয়ালে ঝুলছে। সিন্ধিয়ারা তো বটেই, রাজ্যে রাজ্য বিজেপি পরিবারতন্ত্র চালায়। আর বাংলায় তো মানুষের সরকার চলছে। ২০২০ সাল, ২০২১ সালে বাংলার নিত্যযাত্রী হয়ে যাওয়ার সময়েও এ সব বলেছিলেন। আর পরিবারতন্ত্রের কথা বিজেপির মুখে মানায় না।’



