National Special News Special Reports

যমুনোত্রীর পথে খাদে বাস, উত্তরকাশীতে মর্মান্তিক মৃত্যু ২২ পুণ্যার্থীর

0
(0)

খবর লাইভ :  চার ধাম যাত্রায় বেরিয়ে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় প্রাণ দিলেন ২২ পুণ্যার্থী। উত্তরকাশীতে যমুনোত্রীর পথে খাদে পড়ে যায় পুণ্যার্থী বোঝাই বাস। উত্তরাখণ্ডের উত্তরকাশীতে ২৮ জন তীর্থযাত্রী বহনকারী একটি বাস খাদে পড়ে যায়। ২২ জন তীর্থযাত্রীর মৃত্যু হয়। গুরুতর জখম হয়েছেন ৬ জন। স্থানীয় প্রশাসন ও এসডিআরএফ দল উদ্ধার কাজে নামেন। ঘটনাস্থলে গিয়েছে এনডিআরএফ দল।

উত্তরকাশী জেলার দামতার কাছে যমুনোত্রীগামী বাসটি খাদে পড়ে যায়। বাসটি মধ্যপ্রদেশের পান্না জেলা থেকে ২৮ জন তীর্থযাত্রীকে নিয়ে যমুনোত্রী যাচ্ছিল। উত্তরকাশী জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অভিষেক রুহেলা-সহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। আহত ছয়জনকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

উত্তরাখণ্ডের ডিজিপি অশোক কুমার বলেন, পুলিশ এবং এসডিআরএফ ঘটনাস্থলে গিয়েছে। বদ্রীনাথ, কেদারনাথ, গঙ্গোত্রীর মন্দির-সহ যমুনোত্রী সাধারণত চরধাম নামে পরিচিত। এমওএস হোম নিত্যানন্দ রাই বলেছেন, জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (এনডিআরএফ)ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার কার্য শুরু করেছে।

উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্তরকাশী জেলায় একটি বাস দুর্ঘটনার পর দেরাদুনের দুর্যোগ নিয়ন্ত্রণ কক্ষে পৌঁছেছেন মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামী। তিনি আহতদের যথাযথ চিকিৎসার পাশাপাশি দ্রুত ত্রাণ ও উদ্ধারকাজ চালাতে জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই ঘটনায় ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছেন। উত্তরকাশীতে ২৮ জন তীর্থযাত্রী বহনকারী একটি বাস যমুনোত্রীতে যাওয়ার পথে খাদে পড়ে যাওয়ার পরে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় রবিবার মৃতদের পরিবারগুলির জন্য ২ লক্ষ টাকা এবং আহতদের প্রত্যেকের জন্য ৫০ হাজার টাকা অনুদান ঘোষণা করেছেন৷

এক সপ্তাহের মধ্যে এ ধরনের দ্বিতীয় ঘটনা ঘটল। গত ২৭ মে মহারাষ্ট্রের তিনজন তীর্থযাত্রী মারা যান এবং ১০ জন আহত হন। যখন তারা ভ্রমণ করছিল যে গাড়িটি উত্তরকাশী জেলায় গভীর খাদে পড়ে যায়। চারধাম যাত্রার পুণ্যার্থীরা দশ দিনের মধ্যে প্রায় ৩০ জন প্রাণ হারিয়েছেন।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *