খবর লাইভ : এপ্রিল থেকে ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেনের লাভের উপর তিরিশ শতাংশ আয়কর ধার্য হবে৷ ক্রিপ্টোর লেনদেনের উপর এক শতাংশ টিডিএস-এর নিয়ম চালু হবে জুলাই থেকে৷একটা ক্রিপ্টোকারেন্সির আয় থেকে অন্য একটা ক্রিপ্টোকারেন্সির ক্ষতি পোষানো যাবে না। অর্থাত্, আপনি যদি বিটকয়েনে এক হাজার টাকা লাভ করেন এবং ইথেরিয়ামে তিনশো টাকা লোকসান করেন, তাহলে আপনাকে এক হাজার টাকার লাভের উপর আয়কর দিতে হবে।
আরও পড়ুন- গোর্খাল্যান্ড নিয়ে ফের ‘অন্য’ সুর বিমলের! কী বলছেন?
একটি নতুন বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে যাতে আয়কর রিটার্নে করা ত্রুটি বা ভুলের জন্য একটি আপডেট রিটার্ন ফাইল করার অনুমতি পান করদাতারা। করদাতারা এখন মূল্যায়ন বছরের শেষ থেকে দুই বছরের মধ্যে একটি আপডেট রিটার্ন দাখিল করতে পারেন।
আগামী ১ এপ্রিল থেকে নতুন আয়কর নিয়ম অনুসারে, EPF অ্যাকাউন্টে ২.৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত করমুক্ত অবদানের ক্যাপ লাগু করা হবে। অর্থাত্ এর উপরে কেউ পিএফ অবদান রাখলে সেক্ষেত্রে তাঁকে তার সুদের উপর কর দিতে হবে। ১ এপ্রিল থেকে পিএফ অ্যাকাউন্ট দুটি ভাগে ভাগ করা হতে পারে। এর বেশি টাকা রাখলে সুদের আয়ের ওপর কর দিতে হবে। একইসঙ্গে সরকারি কর্মচারীদের জিপিএফ-এ করমুক্ত অবদানের ঊর্ধ্বসীমা বার্ষিক ৫ লক্ষ টাকা।
নতুন অর্থবর্ষ শুরু হচ্ছে শুক্রবার। আর ২০২২ সালের ১ এপ্রিল থেকেই নতুন আয়কর নীতি চালু হবে। তাতে চাকরিজীবীদের চাপ অনেকটাই বাড়ছে। সঞ্চয়ের পাশাপাশি এতদিন কর বাঁচানোর বড় রাস্তা ছিল প্রভিডেন্ট ফান্ডে (পিএফ) জমানো টাকা। কিন্তু নতুন নীতিতে পিএফ-এ জমানো টাকার সুদ চলে আসবে আয়করের আওতায়। শুক্রবার থেকে শুরু হওয়া ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে সেই করের টাকা গুনতে হবে চাকরিজীবীদের।
কোভিড চিকিৎসার জন্য অর্থ গ্রহণকারী ব্যক্তিদের কর ছাড় দেওয়া হবে৷ পাশাপাশি কোনও ব্যক্তি কোভিডে মারা গেলে সেই বাবদ কোনও অর্থ যদি তাঁর পরিবার সদস্য পায় তাদলে সেই টাকা করমুক্ত হবে ।
সম্প্রতি পিএফ-এর উপরে সুদের হার কমে ৮.১ শতাংশ হয়েছে। এটা স্বাভাবিক ভাবেই চাকরিজীবীদের আয় কমিয়ে দেবে। এর উপরে যাঁরা পিএফ বাবদ নির্দিষ্ট পরিমাণের বেশি অর্থ জমান তাঁদের আয়কর দিতে হবে। গত সাধারণ বাজেটে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন যে নীতি ঘোষণা করেছেন তাতে বছরে আড়াই লাখ টাকার উপরে পিএফ সঞ্চয় হলে সুদের উপরে কর দিতে হবে। এত দিন কর বাঁচাতে পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত পিএফ বাবদ জমানো যেত। কিন্তু এ বার সব ধরনের প্রভিডেন্ট ফান্ডে (পিএফ) কর্মীদের দেয় টাকা বছরে ২.৫ লক্ষ পার হলেই আর কর রেহাই মিলবে না তার উপরে সুদের আয়ে।




