খবর লাইভ : আজ বাবুলের শপথ গ্রহণকে কেন্দ্র করে টানাপোড়েন অব্যাহতই রয়েছে। রাজ্যপাল বা রাজ্য কেউ একচুলও সরেননি। রাজ্যপালকে সহানুভূতির সঙ্গে বিবেচনার আর্জিই সার। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠকেও কাটল না জট। এখনও যে তিমিরে ছিল, সেই তিমিরেই রয়ে গিয়েছে বাবুলের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান।
মঙ্গলবার বাবুল সুপ্রিয় শপথ গ্রহণ নিয়ে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেই বৈঠকও ফলপ্রসূ হয়নি। নিস্ফলা বৈঠকের পর রাজ্যের তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, ডেপুটি স্পিকার প্রস্তাব ফেরালেই রাজ্যপালকে নতুন করে চিঠি লেখা হবে। রাজ্যপালকে অনুরোধ করা হবে বিষয়টি আরও একবার সহানুভূতির সঙ্গে বিবেচনার করার জন্য।
এখনও বিধায়ক হিসেবে শপথ নিতে পারেননি বাবুল সুপ্রিয়। রাজ্যপাল টালবাহানার পর অনুমতি দিলেও তা আটকে রয়েছে নয়া বিতর্কে। রাজ্যপালন স্পিকারের পরিবর্তে ডেপুটি স্পিকারকে শপথ গ্রহণের দায়িত্ব দেওয়াতেই জট পাকিয়েছে বিষয়টি।
রাজ্যপাল ডেপুটি স্পিকারকে শপথ গ্রহণের দায়িত্ব দেওয়ার পর বাবুলের শপথ গ্রহণকে গিরে আসরে নামেন পরিষদীয় মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তিনি সোমবার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, পার্থবাবু একবার রাজ্যপালের সঙ্গে সরাসরি কথা বলবেন। সেইমতো পার্থ চট্টোপাধ্যায় এদি সরাসরি রাজ্যপালকে সহানুভূতির সঙ্গে বিবেচনার আর্জি জানান রাজ্যপালকে।
কিন্তু রাজ্যপাল তাঁর সিদ্ধান্ত অনড় থেকেছেন। সোমবার বাবুল সুপ্রিয়র চিঠির পরে তিনি যা বলেছিলেন পরিষদীয় মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কেও তিনি একই কথা বলেছেন। বলেছেন, ভারতের সংবিধান মোতাবেক আমার ক্ষমতার সীমা লঙ্ঘন না করেই আমি ডেপুটি স্পিকারকে শপথ গ্রহণের দায়িত্ব দিয়েছি। তাঁর কাছ থেকেই ১৬১ নম্বর বালিগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্র থেকে নির্বাচিত বাবুল সুপ্রিয় শপথগ্রহণ করবেন।
ডেপুটি স্পিকার আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমি এখনও রাজভবন থেকে কোনও চিঠি পাইনি। চিঠি পেলেই তিনি তা প্রত্যাখ্যান করবেন।




