খবর লাইভ : ক্যান্সারে আক্রান্ত সুজিত হালদারের মুখাগ্নি করলেন আনোয়ার আলি। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, স্ত্রী শিপ্রা হালদারকে নিয়ে শ্রীরামপুরের একটি আবাসনে থাকতেন বিজ্ঞানী গবেষক সুজিত।
অত্যন্ত সজ্জন এবং সহানুভূতিশীল এই মানুষটির একমাত্র মেয়ে চৈতালি বাগ থাকেন সাইপ্রাসে ।স্থানীয়রা জানিয়েছেন করোনার সময়ে প্রয়োজনীয় ওষুধ জোগাড় করতে পারেননি ওই বিজ্ঞানী। শ্রীরামপুর থানা এলাকার বাসিন্দা আনোয়ার আলির সঙ্গে বাড়ির কাজের সূত্রের
তার পরিচয় হয়। আনোয়ার পেশায় মার্বেল মিস্ত্রি। তার সঙ্গে পরিচয় হয় সুজিতের কাজের সূত্রে।
আরও পড়ুন- গোর্খাল্যান্ড নিয়ে ফের ‘অন্য’ সুর বিমলের! কী বলছেন?
জানা গেছে , আনোয়ার সুজিতের রক্তের ব্যবস্থাও করেন। এরপরই পারিবারিক সূত্রে ক্রমশই জড়িয়ে পড়তে থাকেন আনোয়ার । যতবার কলকাতায় চিকিৎসার জন্য সুজিত এসেছেন, তাকে নিজের দায়িত্বে কলকাতায় নিয়ে এসে আবার ফের বাড়িতে ফিরিয়ে দিয়েছেন এই আনোয়ারই। এরপরে সুজিত তাকে ছেলের স্নেহে ভালবাসতে থাকেন।
শেষ পর্যন্ত সুজিতের মৃত্যুর পর তাঁর ইচ্ছাকেই মান্যতা দেন তাঁর স্ত্রী। আনোয়ারকে তার মুখাগ্নি করার জন্য অনুরোধ করেন। আর এক বিরল দৃশ্যের সাক্ষী থাকে হুগলির শ্রীরামপুর। ধর্মের ভেদাভেদ ভুলে মানবতাকে সামনে রেখে এই দৃষ্টান্ত নিশ্চয়ই উদ্বুদ্ধ করবে অন্যদের।




