খবর লাইভ: আজও দোলপূর্ণিমা মানেই ফুটকড়াই। বৈষ্ণবপদাবলী থেকে শুরু করে চৈতন্যচরিতামৃত সর্বত্র ছড়িয়ে রয়েছে নকুলদানা। জগন্নাথ দেবের তিনবেলার ভোগে নকুলদানার উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। নকুলদানার ভিতরে ছোলা ভরা থাকলেই তার নাম হয় ফুটকড়াই।
আরও পড়ুন- Carona Update: বিশ্বজুড়ে নতুন করে দাপট শুরু করোনার, ভারতে অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে
বাংলায় দোলপূর্ণিমার আগের দিন ফুটকড়াইয়ের বিশেষ চাহিদা থাকে। যদিও এককালে এর চাহিদা ছিল প্রশ্নাতীত।
স্বামী বিবেকানন্দের ভাই মহেন্দ্রনাথ দত্তের লেখায় ফুটকড়াইয়েরঙ উল্লেখ পাওয়া যায়, সেকালে দোলে তত্ত্ব তৈরি করে আদান প্রদানের প্রথা প্রচলিত ছিল। সেই তত্ত্ব পাড়া প্রতিবেশীদের বাড়ি বাড়ি বিলোনো হত। দোল উপলক্ষে চিনির মুড়কি, মঠ, ফুটকড়াই খাওয়ার রেওয়াজ ছিল।
একদা রঙ খেলার ফাঁকে ফাঁকে ফুটকড়াই খাওয়া হত। ভাজা ছোলার ওপর চিনির আস্তরণ দিয়ে ফুটকড়াই তৈরি হয়। মুখে দিয়ে চিবালে কড়মড় করে আওয়াজ হত। খাবার খানিক মচমচে ধরনের হয়। খাবার সময় মচমচে আওয়াজ হয়। চুটিয়ে রঙ খেলার ফাঁকে মুখে চালান করা হত। থালায় প্রচুর মঠ সাজানো থাকত আর পাশে থাকত ফুটকড়াই।
দোলের দিন পুজো হোক বা আনন্দ করে রঙ খেলা, সবেতেই এই সব মিষ্টির জায়গা ছিল পাকা। আজ বিলুপ্ত প্রায়।
#holi
#dol Purnima
#phutkorai




