খবর লাইভ: ইউক্রেনের ওপর আধিপত্য কায়েম রাখতে মরিয়া পুতিন। পালটা উচিত শিক্ষা দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলনস্কিও। যেকোনও মূল্যে সর্বশক্তি দিয়ে রুশ সেনার মোকাবিলা করবেন বলে জানান তিনি। এদিকে আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, কিয়েভের দোরগোড়ায় পৌঁছে গিয়েছে রুশ বাহিনী। কিয়েভের ২০ মাইলের মধ্যে রয়েছে ‘পুতিনের সেনাবাহিনী’।
অন্যদিকে, ইউক্রেন সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, সংশ্লিষ্ট দেশের একটি আবাসিক বিল্ডিংকে লক্ষ্য করে মিসাইল নিক্ষেপিত করেছে রুশ সেনা। এখনও পর্যন্ত রাশিয়া- ইউক্রেন যুদ্ধে ১৩৭ জন ইউক্রেনের বাসিন্দা নিহত হয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে। উল্লেখ্য, রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের পরিণতি ভয়াবহ হতে পারে বলে জানাচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহলের একাংশ। তবে এই যুদ্ধ তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের সূত্রপাত কিনা, এই প্রশ্নের জবাব দেওয়া এখনই সম্ভব নয় বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এত অশান্ত পরিস্থিতি বিশ্বে আর তৈরি হয়নি বলেই জানাচ্ছে ওয়াকিবহাল মহল। জেলনস্কি ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন ১৮ থেকে ৬০ বছর বয়সী ব্যক্তিরা এই সময় দেশ ছেড়ে যেতে পারবেন না।
মনে করা হচ্ছে, প্রয়োজনের তাঁদের যুদ্ধের জন্য ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নিতে পারে জেলনস্কি। তবে এই বিষয়ে এখনও খোলসা করে কিছু বললেন তিনি। ইউক্রেনের উপর হামলা করার জন্য ‘ফাদার অফ অল বম্বস’ ব্যবহার করতে পারে রাশিয়া, এক ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যমে দাবি করা হয়েছে এমনটাই। এই ঘাতক বোমা প্রয়োগ করা হলে ৩০০ কিলোমিটার পর্যন্ত এলাকা ধ্বংস হয়ে যায়। এদিকে রুশ সেনার সাফল্য ডঙ্কার মাঝেই ইউক্রেন জানিয়েছে লুহানস্ক অঞ্চলে ৫০ জন রুশ সেনা নিহত হয়েছেন তাদের দেশের সেনাবাহিনীর হাতে। উল্লেখ্য, ইতিমধ্যেই গোস্টোমেল বিমানঘাঁটি দখল করেছে রাশিয়া। এরপর কিয়েভের উত্তর দিকের একটি বিমান ঘাঁটি দখন নিয়েও ভয়াবহ যুদ্ধ হয় রুশ এবং ইউক্রেন সেনার মধ্যে। এদিকে এই যুদ্ধের পরিস্থিতিতে ইউক্রেনকে ‘নিঃসঙ্গ’ করে দেওয়ার জন্য আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে তুলোধনা করেন জেলনস্কি। রুশ আগ্রাসন নিয়ে সতর্ক হয়েছিল আমেরিকা। কিন্তু, যুদ্ধের বেলায় আমেরিকাও হাত থেকে ইউক্রেনের, দাবি ওয়াকিবহাল মহলের। এদিকে এই যুদ্ধ ঠেকাতে তৎপর ভারতও। পুতিনের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন নরেন্দ্র মোদী। আলোচনার মধ্য দিয়ে সমস্যা মেটানোর কথা বলেছেন তিনি।




