Sushanta Ghosh
Bengal and District District Special News

সিপিএমের জেলা সম্পাদক সুশান্ত ঘোষ

0
(0)

খবর লাইভ: সিপিএমের পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা সম্মেলনে আলিমুদ্দিন চাইছে তাপস সিনহাকে সম্পাদক করতে। এমনই খবর ছিল দলের অন্দরে। তবে তাতে জেলার একটা বড় অংশের আপত্তি ছিল। ফলস্বরূপ বিকল্প হিসেবে নাম উঠে এসেছিল প্রাক্তন পশ্চিমাঞ্চল উন্নয়ন মন্ত্রী সুশান্ত ঘোষের। আর তাতেই সিলমোহর দিল জেলা নেতৃত্ব। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ডেবরায় শেষ হয়েছে দুদিনের জেলা সম্মেলন। সেখান থেকে সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন সুশান্ত ঘোষ।

অনেকের মতে, সুশান্তর সম্পাদক হওয়া শুধু একটা জেলার ব্যাপার নয়, সামগ্রিক ভাবে রাজ্য সিপিএমকেও আন্দোলিত করবে। এবারে সিপিএম যা নিয়ম করেছে তাতে আলিমুদ্দিন ঠিক করেছে, ষাটের উপর বয়স হয়ে গিয়েছে এমন কাউকে নতুন করে রাজ্য কমিটিতে নেবে না। কিন্তু, সুশান্ত সেই নিয়মও ঘেঁটে দিতে চলেছেন। তিনি পশ্চিম মেদিনীপুরের মতো এত বড় একটি জেলার সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন, এবার তাঁকে যদি রাজ্য কমিটিতে না নেওয়া হয় তাহলে আরও বিতণ্ডা বাঁধবে।

সূত্রের খবর, নতুন জেলা কমিটি এবং সম্পাদক নির্বাচন করতে গিয়ে ধাক্কা খেতে হয়েছে রাজ্য নেতৃত্বকে। শেষ পর্যন্ত আলিমুদ্দিনের কথা না শুনেই সম্মেলনে নিজেদের কাজ সেরে ফেলল পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা সিপিএম।

বেনাচাপড়া কঙ্কাল কাণ্ডে জেলে যেতে হয়েছিল সুশান্তকে। তারপর একটি ডিজিটাল মাধ্যমে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের মুখ্যমন্ত্রিত্ব নিয়ে তীব্র সমালোচনা করে ডায়েরি লিখেছিলেন। সেই সময়ে তাঁকে সাসপেন্ড করে সিপিএম। সেখান থেকে ফিরে এসে জেলা সম্পাদক হলেন সুশান্ত। যা সিপিএমে সাম্প্রতিক সময়ে নজিরবিহীন বলেই মত অনেকের।

জেলার রাজনীতির সমীকরণে দীপক সরকার, সুশান্ত ঘোষের সঙ্গে সূর্যকান্ত মিশ্রদের দূরত্ব ছিল সুবিদিত। সূর্যবাবু পশ্চিম মেদিনীপুরের হলেও নিজের জেলাতে বাম জমানাতেও তাঁকে কোণঠাসা থাকতে হয়েছিল। সেই সমীকরণ যদিও এখন নেই। কারণ এই জেলার সিপিএমে দীপকবাবুর সেই আধিপত্যও ক্ষীণ হয়েছে। গত সম্মেলনে সূর্য ঘনিষ্ঠ তরুণ রায়ের জেলা সম্পাদক হওয়া তা স্পষ্ট করে দিয়েছিল। তবে ফের যেন নতুন সমীকরণ তৈরি হল এদিন। সুশান্ত জেলা সম্পাদক হলেন।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *